স্পেনকে থামিয়ে ভোজিনিয়ার এক ম্যাচে মিলিয়ন ফলোয়ার

স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার ইন্সটাগ্রামে ফলোয়ার ছিল ৫০ হাজারেরও কম। কিন্তু মাত্র ৯০ মিনিটেই বদলে যায় তার জীবন। অখ্যাত এক ফুটবলার থেকে তিনি হয়ে ওঠেন বিশ্ব ফুটবলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, আর তার প্রভাব পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও—ফলোয়ার সংখ্যা এক লাফে মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়।
তারকাখচিত স্পেনের বিপক্ষে নামার আগে ভোজিনিয়াকে নিয়ে খুব একটা আলোচনা ছিল না। কিন্তু ম্যাচ শেষে পুরো আলো নিজের দিকে টেনে নেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।
ম্যাচজুড়ে স্পেনের আক্রমণভাগের একের পর এক নিশ্চিত সুযোগ ঠেকিয়ে দেন তিনি। অন্তত সাতটি পরিষ্কার গোলের সম্ভাবনা রুখে দিয়ে স্পেনের ফরোয়ার্ডদের জন্য কোনো জায়গাই খালি রাখেননি ভোজিনিয়া।
তার দৃঢ়তা ভাঙতে শেষদিকে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে বাধ্য হন তরুণ লামিন ইয়ামালকে মাঠে নামাতে। পরিকল্পনা ছিল তাকে বিশ্রাম দেওয়ার, কিন্তু গোলের খোঁজে শেষ পর্যন্ত তাকেই আনা হয়। তবুও ভোজিনিয়ার সামনে সফল হতে পারেননি ইয়ামাল।
বয়সের দিক থেকেও তৈরি হয় ব্যতিক্রমী এক দৃশ্য। মাঠে নামার সময় ইয়ামালের বয়স ছিল ১৮ বছর ৩৪২ দিন, আর ভোজিনিয়ার ৪০ বছর ২২ দিন—দুই ফুটবলারের বয়সের পার্থক্য ২১ বছর ৪৫ দিন, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে একই ম্যাচে মুখোমুখি হওয়া দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবধান।
পরিসংখ্যানও ভোজিনিয়ার অসাধারণ পারফরম্যান্সের সাক্ষ্য দেয়। তিনি ৪২টি পাসের মধ্যে ২৯টি সফলভাবে সম্পন্ন করেন, যার হার ৬৯ শতাংশ। লং বলের সফলতা ছিল ৪৩ শতাংশ। এছাড়া ৩টি ডাইভিং সেভ এবং বক্সের ভেতর থেকে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন তিনি।
শেষ বাঁশি বাজার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ভোজিনিয়া। হাঁটু গেড়ে বসে কাঁদেন, পরে সতীর্থদের বুকে মুখ লুকিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। সেই দৃশ্য দর্শকদেরও আবেগাপ্লুত করে তোলে।
ভিওডি বাংলা/আ







