রাউজানে যুবদল নেতাকে হত্যা, ১১ জনের নামে মামলা

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় প্রকাশ্যে গুলিতে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরী হত্যার ঘটনায় থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার দিনগত রাত ১২টার পর রাউজান থানায় নিহতের বড় ভাই ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ পিয়ারুল হক চৌধুরী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এতে ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং পাশাপাশি আরও ৭ থেকে ৮ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, মামলার এজাহারে যেসব নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে- সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে শনাক্ত হওয়া পাঁচজন এবং ইতোমধ্যে আটক হওয়া সন্দেহভাজন জাকের মিয়া। সব মিলিয়ে প্রাথমিকভাবে ১১ জনকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই আসামিদের অবস্থান শনাক্তে একাধিক টিম কাজ করছে এবং গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে শনিবার (১৩ জুন) দুপুরের দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় মাসুদুল হক চৌধুরীকে। তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের প্রয়াত আবদুল খালেকের ছেলে এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, ব্যস্ত বাজার এলাকায় হঠাৎ গুলির ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে এবং আলামত সংগ্রহ করে। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় কয়েকজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়। তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই মামলায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয় বলে জানায় পুলিশ।
এদিকে হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভিওডি বাংলা/জা







