• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
সংসদে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সম্মান জানাতে পারবেন এমপিরা প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী: ওয়েব রাজধানী থেকে ৪ বাস টার্মিনাল সরানোর সময়সীমা জানালেন সড়কমন্ত্রী শহীদ জিয়ার আদর্শেই দেশের উন্নয়ন সম্ভব: প্রশাসক আবদুস সালাম প্রাথমিক শিক্ষার সব দপ্তরকে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের নির্দেশ সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন ২২ জুলাই এসএসএফ’র দক্ষতা বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সেজে ফাঁদে ফেলতেন রনি, অর্থ সংগ্রহ করতেন রাকিবুল পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে নিল ইরান এই বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে, তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা জামায়াত এমপির জন্ম ১৯৮১ সালে

   ১৮ জুন ২০২৬, ০১:০১ এ.এম.
ছবি: সংগৃহীত

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের’ সন্তান বলে সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিমের বক্তব্যের পর তা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে জানা গেলো তার জন্ম ১৯৮১ সালে।

নীলফামারী ৪ আসনের এ সংসদ সদস্য রবিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন চলাকালে সম্পূরক বাজেটের আলোচনাকালে মুক্তিযুদ্ধে তাদের পরিবারের অবদান ছিলো দাবি করে বলেন, তার বাবা একজন ‘যুদ্ধে শহীদ’।

৪৫ বছর বয়সি এই সংসদ সদস্যের নিজের বাবাকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ‘শহীদ’ দাবি করা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাস্যরসও ছড়িয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমার বাবা, আমার দাদা যুদ্ধে শহীদ। আমার আব্বারা সাত ভাই- চারজন মুক্তিযোদ্ধা; আমার দাদারা ১৯ জনের ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা।’

‘আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠকদের একজন কিন্তু আমি আজকে মুক্তিযুদ্ধের কথা বললেই কেউ অনেক কিছু বলে ফেলে।’

তার বক্তব্য সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। তখন প্রশ্ন ওঠে ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া এ সংসদ সদস্যের বাবা ‘যুদ্ধশহীদ’ হন কীভাবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আব্দুল মুনতাকিমের দেওয়া হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তার জন্ম ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি। সে হিসাবে তার বয়স ৪৫ বছরের কিছু বেশি। তার বাবার নাম মো. আব্দুল কাদের সৈয়দী।

এ নিয়ে বিতর্ক ওঠার পর মঙ্গলবার রাতে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুনতাকিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার বাবা এখনও আছেন। আমার দাদা যুদ্ধ শহীদ। তিনি আমার বাবার চাচা।’

‘আমি বোঝাতে চেয়েছি আমার বাবা-দাদাদের মধ্যে যুদ্ধে শহীদ আছেন। আমি আক্ষরিকভাবে আমার বাবা যুদ্ধে শহীদ তা বোঝাইনি।’

এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কোনো ধরনের মিথ্যাচার কাম্য নয়। তারওপরে একজন আইন প্রণেতার জাতীয় সংসদে এ ধরনের বিকৃত তথ্য উপস্থাপন কোনভাবেই কাম্য নয়। এরমাধ্যমে তারা আবার প্রমাণ করলেন, তারা কী রাজনীতি করেন।’

লেখক আখতারুজ্জামান আজাদ মঙ্গলবার তার ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘‘আব্দুল মুনতাকিমের দাবি অনুযায়ী তার দাদাও ‘যুদ্ধে শহীদ’, বাবাও ‘যুদ্ধে শহীদ’। মুনতাকিমের দাদা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হতেই পারেন, এটি অসম্ভব নয়। এমনও হতে পারে–আলোচ্য দাদা মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে নিহত হয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে নিহত হওয়া দাদাদের নাতিরাও নিজ-নিজ দাদাকে ‘যুদ্ধে শহীদ’ দাবি করতেই পারেন। যেসব দাদা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষে কাজ করে মুক্তিযুদ্ধের হাতে ধরা পড়ে নিহত হয়েছেন, নিজ-নিজ দাদাকে ‘যুদ্ধে শহীদ’ দাবি করা থেকে তাদের নাতিদেরকে নিবৃত্ত করার আইনি সুযোগ নেই।’’

‘‘চট্টগ্রামের সূর্য কুমার সেন উপমহাদেশের জনসাধারণের কাছে মাস্টারদা এবং শহীদ, কিন্তু ইংরেজদের কাছে সন্ত্রাসী। পাকিস্তান থেকে বিমান ছিনিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে এসে যুদ্ধ করতে চাওয়া মতিউর রহমান বাংলাদেশের কাছে বীরশ্রেষ্ঠ, কিন্তু পাকিস্তান ও জামায়াতে ইসলামীর কাছে গাদ্দার; বিমান ছিনতাইয়ে মতিউর রহমানকে বাধা দিয়ে নিহত হওয়া রশিদ মিনহাজ বাংলাদেশের কাছে পাকসেনা, কিন্তু পাকিস্তান ও জামায়াতে ইসলামির কাছে বীর শহীদ। ফলে, মুন্তাকিমের দাদা যদি একাত্তরে নিহত হয়ে থাকেন, তা হলে তিনি যাদের হাতেই নিহত হন না কেন; কোনো-না-কোনো মাপকাঠিতে তিনি নিশ্চয়ই ‘শহীদ’।’’

ভিওডি বাংলা/বিন্দু

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে
দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে
সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন তারেক রহমান
সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন তারেক রহমান
৬৬ হাজার পরিবারকে বাঁচাতে আমি গুলি খেতে প্রস্তুত
৬৬ হাজার পরিবারকে বাঁচাতে আমি গুলি খেতে প্রস্তুত