• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

এনসিপির যুব শাখার ৫ নেতা কারাগারে

দিনাজপুর প্রতিনিধি    ৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৩ পি.এম.
অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচজনকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচজনকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

দিনাজপুরে এক কৃষককে অপহরণ করে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় জাতীয় যুব নাগরিক শক্তি (এনসিপির যুব শাখা)-এর পাঁচ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানের সময় অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করার পাশাপাশি একটি প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় শহরের গোরে শহীদ ময়দান এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আদালতে হাজির করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-জাতীয় যুব নাগরিক শক্তির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফ মুন (২৯), হাসিন ইশরাক মিম (২২), আজমির হোসেন (২২), সাজিদুল মিনহাজ (২৬) এবং হৃদয় হোসেন (২২)।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের খোশালপুর পুকুরপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুস সামাদ (৫৯) গত ৫ জুলাই রাতে পল্লী বিদ্যুৎ পাঁচ মাইল এলাকায় তার দ্বিতীয় স্ত্রী রেনু বেগমের বাসায় যান। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ও তার নাতিকে মারধর করে ভয়ভীতি দেখায়। পরে কৃষক আব্দুস সামাদকে মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোনসহ জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, পরদিন দুপুরে অপহৃতের মোবাইল ফোন থেকেই তার ছেলে মো. মামুনের কাছে কল করে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। নির্ধারিত স্থানে টাকা পৌঁছে দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে, অন্যথায় প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে গোরে শহীদ ময়দান এলাকা থেকে আব্দুস সামাদকে উদ্ধার করে। একই সময় একটি সাদা প্রাইভেটকারসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয় ভুক্তভোগীর মোটরসাইকেল ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও।

এ ঘটনায় আব্দুস সামাদের ছেলে মো. মামুন কোতোয়ালি থানায় অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচজনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর কোতোয়ালি থানায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের মুক্ত করার দাবিতে এনসিপির কয়েকজন নেতাকর্মী থানায় অবস্থান নিলে সেখানে হট্টগোল ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও থানার সামনে জড়ো হন। এ সময় কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে এনসিপির কিছু নেতাকর্মীর বাক্‌বিতণ্ডা ও অসদাচরণের অভিযোগ ওঠে।

দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুন্নবী বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তার পাঁচজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ভিওডি বাংলা/জা


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
দায়িত্বে ফিরছেন সিংগাইরের ৮ ইউপি চেয়ারম্যান
ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ আমাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে: নাহিদ ইসলাম
ছবি: সংগৃহীত
পাবনায় অস্ত্রসহ আটক ৪ জন