জুলাইয়ের আগেও ভোট চুরি হয়েছিল, পরেও হয়েছে: হাসনাত

২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালেও ভোট চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা ৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। তাঁর দাবি, এবার ভোটের ফল প্রকাশের পরেও ভোট চুরি হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেল ৪টায় নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে আয়োজিত এনসিপির 'জুলাই পদযাত্রা' কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন। গণভোট বাস্তবায়ন, বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে নোয়াখালী জেলা এনসিপি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, "২০১৪-১৮ সালের নির্বাচন ছিল মিডনাইট ইলেকশন। তখন ভোটের ফল প্রকাশের আগেই ভোট চুরি করা হয়েছিল। এবার আমরা নতুন ধরনের মেকানিজম দেখলাম। এবারও ভোট চুরি হয়েছে, তবে ফল প্রকাশের পরে।"
তিনি আরও বলেন, "দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ছিল; বিএনপি সেই ভোট চুরি করে ফেলেছে। জুলাইয়ের আগেও ভোট চুরি ছিল, তবে সেটা ভোটের ফল প্রকাশের আগে। জুলাইয়ের পরেও ভোট চুরি থেকে গেছে, তা দিনের আলোতে ফল প্রকাশের পরে হয়েছে।"
বিএনপির উদ্দেশে হাসনাত বলেন, "তরুণ প্রজন্মের বিপক্ষে গিয়ে দেশ পরিচালনা বা সংস্কার করা সম্ভব নয়। জনগণের বিপক্ষে গিয়ে আপনারা সংস্কার করতে পারবেন ভাবলে আপনারা ভুল করছেন। এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও একটি নতুন কর্মসংস্থানও নিশ্চিত করা যায়নি। নতুন কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিও দেখা যাচ্ছে না।"
লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আগে বিদ্যুৎ মানুষের বাড়িতে মাঝে মাঝে যেত, এখন বিদ্যুৎ মাঝে মাঝে আসে। বিএনপি সরকার মানুষের হাতে বিদ্যুতের বদলে হারিকেন ও মোমবাতি তুলে দিয়েছে। বিদ্যুৎমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন 'দেশে কোনো লোডশেডিং নেই'। জনগণের কাছে গেলে তিনি বুঝতে পারবেন, অনেক এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকে না।"
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী ৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
ভিওডি বাংলা/এমএস








মন্তব্য