খাল পুনঃখনন শেষে সাড়ে ১৬ লাখ টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় ধরার খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ শেষ করে সাশ্রয় হওয়া ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না হওয়ায় উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি তহবিলে জমা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার বইলর ইউনিয়নের ঠনিভাঙা বিল থেকে বোকিবিল পর্যন্ত ৩ হাজার ১০০ মিটার দীর্ঘ ধরার খাল পুনঃখননের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৬৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়।
২ মে খননকাজ শুরু হয়ে ৩০ জুন শেষ হয়। এরপর ২৩ মে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় খালের দখলমুক্তকরণ, সরকারি নকশা অনুযায়ী পুনঃখনন, দুই পাড় বাঁধাই এবং বৃক্ষরোপণের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় জানায়, প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ফলে বরাদ্দের ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা উদ্বৃত্ত থাকে, যা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
গত ১০ জুলাই স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ৩ হাজার ১০০ মিটার খাল ১০ ফুট গভীর এবং ১৫ থেকে ২৩ ফুট প্রস্থে খনন করা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে একাধিকবার পাড় মেরামতের পাশাপাশি খালের দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথম এ খাল খনন করেছিলেন। সময়ের সঙ্গে দখল ও ভরাটের কারণে খালটি প্রায় অকেজো হয়ে পড়ে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, খালের বিভিন্ন স্থানে প্রস্থ ভিন্ন হওয়ায় প্রাক্কলনের তুলনায় কম ব্যয়ে কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে সাশ্রয় হওয়া ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা সরকারি তহবিলে জমা দেওয়া হয়েছে।
ভিওডি বাংলা/আ









মন্তব্য