এ যেনো সিনেমা, এ যেনো চিত্রনাট্য!

যেন সিনেমার চিত্রনাট্য। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে থাকা আর্জেন্টিনা শেষ মুহূর্তে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে মিশরের বিপক্ষে। যোগ করা সময়ে এনজো ফার্নান্দেজের জয়সূচক গোলে উল্লাসে ফেটে পড়ে আটলান্টার স্টেডিয়াম।
ম্যাচের ৯০+২ মিনিটে দ্রুতগতির এক পাল্টা আক্রমণ থেকে গোলটি আসে। আক্রমণের শেষ মুহূর্তে বক্সের মাঝখানে উঁচুতে লাফিয়ে শক্তিশালী হেডে বল জালের নিচের বাঁ কোণে পাঠান এনজো ফার্নান্দেজ। গোলরক্ষক মোস্তাফা শোবেইরের কোনো সুযোগই ছিল না।
গোল হতেই পুরো স্টেডিয়াম উৎসবে মেতে ওঠে। হাজারো আর্জেন্টাইন সমর্থক আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। কয়েক মিনিট আগেও যারা বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের শঙ্কায় ছিলেন, তারাই এখন কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্নে বিভোর।
ম্যাচের শুরুতে দারুণ খেলতে থাকা মিশর দুই গোলের লিড নিয়ে আর্জেন্টিনাকে চাপে ফেলে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। প্রথমে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ব্যবধান কমান, এরপর লিওনেল মেসি সমতাসূচক গোল করে ম্যাচে ফেরান আর্জেন্টিনাকে।
সমতায় ফেরার পর আক্রমণের ঝড় তোলে লিওনেল স্কালোনির দল। শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ে এনজো ফার্নান্দেজের হেডে সম্পূর্ণ হয় বিশ্বকাপের অন্যতম নাটকীয় প্রত্যাবর্তন।
দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে আর্জেন্টিনা দেখিয়ে দিল কেন তারা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। অন্যদিকে, জয়ের খুব কাছে গিয়েও শেষ মুহূর্তের ধাক্কায় ভেঙে যায় মিশরের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন।








মন্তব্য