এইচএসসির রসায়ন প্রশ্নে ভুলের অভিযোগ নাকচ করেছে শিক্ষা বোর্ড
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের রসায়ন দ্বিতীয় পত্রের সৃজনশীল প্রশ্নে কোনো ধরনের ভুল নেই। প্রশ্নপত্রের কয়েকটি অংশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বিতর্ক ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তার বাস্তব ভিত্তি নেই বলেও দাবি করেছে বোর্ড।
বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য ইতোমধ্যে বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রশ্নপত্রের প্রতিটি অংশ কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে, সে বিষয়ে প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মূল্যায়নের সময় সেই নির্দেশিকাই অনুসরণ করা হবে।
বুধবার (২২ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয় এইচএসসির রসায়ন দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষে কয়েকজন শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দাবি করেন, প্রশ্নপত্রের ১, ৫, ৬ ও ৮ নম্বর উদ্দীপকে অসঙ্গতি রয়েছে। এ অভিযোগের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অনেক পরীক্ষার্থীও এতে বিভ্রান্তি ও মানসিক চাপের কথা জানান।
রোববার (২৬ জুলাই) গণমাধ্যমকে বলেন, তবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রশ্নপত্রে কোনো ভুল হয়নি। তার ভাষ্য, সৃজনশীল প্রশ্ন চারটি দক্ষতার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়-জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ এবং উচ্চতর দক্ষতা। প্রথম তিনটি অংশ তুলনামূলক সহজ হলেও উচ্চতর দক্ষতা অংশে বিশ্লেষণধর্মী চিন্তার প্রয়োজন হয়। এ কারণে অনেক শিক্ষার্থীর কাছে সেটি কঠিন মনে হতে পারে।
তিনি বলেন, উচ্চতর দক্ষতা যাচাইয়ের প্রশ্ন এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে শিক্ষার্থীর বিশ্লেষণী ক্ষমতা, যৌক্তিক চিন্তা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা মূল্যায়ন করা যায়। ফলে এই অংশের প্রশ্ন সবার কাছে সমান সহজ হবে-এমনটি প্রত্যাশিত নয়।
প্রশ্ন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সে প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন ওই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এ ধরনের বিভ্রান্তির পেছনে কিছু কোচিং সেন্টারের স্বার্থ জড়িত থাকতে পারে। তাদের দাবি, যেসব প্রশ্ন বা ধরণ তারা শিক্ষার্থীদের অনুশীলন করিয়েছিল, পরীক্ষায় সেগুলো না আসায় প্রশ্ন নিয়ে অযথা বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।
বোর্ডের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, এবার প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থীর সংখ্যাই প্রায় আট লাখ। এত বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রশ্ন নিয়ে বড় ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বোর্ডের কাছে আসেনি।
ভিওডি বাংলা/জা









মন্তব্য