জামায়াতের নাম থেকে ‘ইসলামী’ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবি যুবদল সভাপতির
সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিকমাধ্যমে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না।
আজ বুধবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এবং জামায়াত নেতাদের সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ড প্রমাণিত হয়েছে, ‘জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়।’ তাই তিনি মনে করেন, দলের নাম ‘জামায়াতে ইসলামী’ থেকে অবিলম্বে ‘ইসলামী’ শব্দটি বাদ দেওয়া অত্যাবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে।
ফেসবুক পোস্টে আব্দুল মোনায়েম মুন্না লেখেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন ভাই একজন বিদগ্ধ রাজনীতিবিদ। ভদ্র ও মার্জিতভাবে তিনি কথা বলেন। কিছুদিন আগে জাতীয় সংসদে তিনি একটি বক্তব্য দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, “জামায়াতে ইসলামী মানেই ইসলাম নয়।” বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এবং জামায়াত নেতাদের সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ড (নৈতিক স্খলনজনিত অপকর্ম) সেই বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণ করেছে। তাই আমি মনে করি, দলের নাম “জামায়াতে ইসলামী” থেকে অবিলম্বে “ইসলামী” শব্দটি বাদ দেওয়া অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে।’
গত সোমবার রাতে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এসব ভিডিওতে এক তরুণীর সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর এই সংসদ সদস্যকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়।
এ ঘটনার পর দলীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করেছে জামায়াতে ইসলামী। আজ বুধবার বিকেলে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে ‘নৈতিক স্খলনের দায়ে’ তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়।
পরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ভিওডি বাংলা/আর









মন্তব্য