• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি পর্তুগালের ড্রতে র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় পরিবর্তন, লাভে ব্রাজিল

নোয়াখালীতে জলাবদ্ধতায় হাজারো মানুষের দুর্ভোগ

   ১০ জুলাই ২০২৫, ০৩:৪৩ পি.এম.
নোয়াখালীতে জলাবদ্ধতা

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে টানা কয়েক দিনের অতিভারী বৃষ্টি বুধবার রাত থেকে কিছুটা কমলেও জলাবদ্ধতা কমেনি। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জেলার সাধারণ মানুষ। খাল, নালা ও ড্রেন দিয়ে পানি দ্রুত না নামায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ভোর থেকে জেলায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হচ্ছে। মাইজদী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৯টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত) ৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, খুলেছে আশ্রয়কেন্দ্র। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জলাবদ্ধতার কারণে শনিবার (১২ জুলাই) পর্যন্ত জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৪৬৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে সদর, কবিরহাট ও কোম্পানীগঞ্জের ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২৬৮টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।
জরুরি সহায়তার জন্য ১০১টি মেডিকেল টিম এবং ৮৭১১ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া শুকনো খাবার ও অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

 নামছে না পানি,ঘরবন্দি মানুষ। জেলার হাজারো মানুষ এখনো ঘরবন্দি অবস্থায় আছেন। বিশেষ করে জেলা শহর মাইজদীর হাউসিং বালুর মাঠ, সেন্ট্রাল রোড, হসপিটাল সড়ক, আল-ফারুক একাডেমি, মসজিদ মার্কেট সড়ক, কলেজ সড়ক, এম এ রশিদ কলোনি, মাস্টারপাড়া এবং আশপাশের এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন।

পুকুর-ঘের ভেসে গেছে মাছ  ও   মরছে মুরগি। টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকার পুকুর ও মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক খামারে মারা গেছে মুরগি। তবে ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করতে পারেনি জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস। এদিকে আমনের বীজতলা ও সবজিচাষিরাও বড় ধরনের ক্ষতির শঙ্কায় রয়েছেন।

ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই, দায় করছে প্রশাসনের অবহেলায় স্থানীয়রা বলছেন, পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা এবং খাল, নালা ও জলাশয়গুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নামতে দেরি হচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্টের বন্যার পর এক বছর পেরিয়ে গেলেও খালগুলো দখলমুক্ত ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল হয়নি। এ নিয়ে প্রশাসনের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন জেলাবাসী।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে সরকার
প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে সরকার
নন্দিনী হত্যার বিচার নিশ্চিত হবে, আশ্বাস দিলেন ত্রাণমন্ত্রী
নন্দিনী হত্যার বিচার নিশ্চিত হবে, আশ্বাস দিলেন ত্রাণমন্ত্রী
পাহাড়তলীতে তালিকাভুক্ত মাদক মামলার আসামি রেজাউল গ্রেপ্তার
পাহাড়তলীতে তালিকাভুক্ত মাদক মামলার আসামি রেজাউল গ্রেপ্তার