• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

চারজন শিক্ষকের স্কুলে শিক্ষার্থী শূন্য

   ১৫ জুলাই ২০২৫, ০১:৫৩ পি.এম.
চাঁদপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ১৪০ নং চাঁদপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলছে চরম অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতা। শিক্ষার্থীবিহীন শ্রেণিকক্ষ, পাঠদান বন্ধ, চারদিকে অযত্ন-অবহেলা পুরো পরিবেশটি যেন একটি পরিত্যক্ত ভবনের মতো।

১৪ জুলাই সোমবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ৪ জন শিক্ষকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ২ জন। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাজিয়া সুলতানা ছিলেন অনুপস্থিত ছুটির আবেদন ছাড়াই। অপর শিক্ষক নাসিমা বেগম উপজেলা কার্যালয়ে ‘রিটার্ন’ জমা দিতে গেছেন বলে জানানো হয়। বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন কেবল সহকারী শিক্ষক মোসাঃ রাজিয়া আক্তার ও হযরত আলী।

শ্রেণিকক্ষগুলো ছিল শিক্ষার্থীশূন্য। ঘরজুড়ে ধুলাবালি ও মাকড়সার জাল। দীর্ঘদিন কোনো পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম হয়নি যা চোখে পড়ার মতো। দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্তও কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসেনি। 

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কোথায় জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক জানান, তিনি পাশের বাড়ির ওয়াশরুমে গিয়েছেন। পরে ফোনে যোগাযোগ করা হলে রাজিয়া সুলতানা জানান, তিনি অসুস্থ এবং বিদ্যালয়ে রওনা হয়েছেন। কিছুক্ষণ পর তিনি বিদ্যালয়ে এসে উপস্থিত হন।

সহকারী শিক্ষক হযরত আলী বলেন, “অভিভাবকদের সচেতনতার অভাবে শিক্ষার্থীরা আসেন না। আমরা আসি-যাই কিন্তু শিক্ষার্থীবিহীন কতক্ষণ বসে থাকা যায়।  বরিশাল থেকে আসতে আমার ৩০০ টাকা খরচ হয়, সেটা কে দেবে! দুপুরের খাবারের টাকাই বা কে দেবে! তার এই ধরনের ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যে উপস্থিত সাংবাদিকরা হতবাক হন। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন মন্তব্য তাঁর পেশাগত মানসিকতা ও নিষ্ঠা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

বিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকার অভিভাবকরা জানান, শিক্ষক হযরত আলীর রুক্ষ ও অমার্জিত আচরণের কারণে অনেকেই তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে অনিচ্ছুক। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পাঠদানের মানহীনতা, নোংরা পরিবেশ এবং প্রশাসনিক গাফিলতি।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাজিয়া সুলতানা বলেন, বিদ্যালয়ের আশপাশে বসতি কম এবং রাস্তার দুরবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম। তিনি ছুটিতে ছিলেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ৮ দিন ধরে অসুস্থ আগামীকাল ছুটি নেবো। শ্রেণিকক্ষে নোংরা পরিবেশে ও অগোছালো সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন দপ্তরী নেই। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) শিরিন আকতার  এর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমি স্যারদের সঙ্গে জরুরি মিটিংয়ে আছি, পরে কথা বলব।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্বে) মোঃ শাহিনুর ইসলাম মজুমদার বলেন, আপনার মাধ্যমেই বিষয়টি জানতে পারলাম। ছুটি না নিয়ে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার সুযোগ নেই। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হবে, সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে সরকার
প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে সরকার
নন্দিনী হত্যার বিচার নিশ্চিত হবে, আশ্বাস দিলেন ত্রাণমন্ত্রী
নন্দিনী হত্যার বিচার নিশ্চিত হবে, আশ্বাস দিলেন ত্রাণমন্ত্রী
পাহাড়তলীতে তালিকাভুক্ত মাদক মামলার আসামি রেজাউল গ্রেপ্তার
পাহাড়তলীতে তালিকাভুক্ত মাদক মামলার আসামি রেজাউল গ্রেপ্তার