• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

ভারতের আসামে মুসলিমবিরোধী ‘উচ্ছেদ অভিযান’

   ২১ জুলাই ২০২৫, ০২:১২ পি.এম.
আসামে মুসলিমবিরোধী উচ্ছেদ অভিযানের ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে সম্প্রতি এক মুসলিম ব্যক্তি পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার মুসলিম-সংক্রান্ত বিতর্কিত অবস্থান ফের আলোচনায় এসেছে। আসাম পুলিশ ও বন বিভাগ যৌথভাবে ওই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালায়। স্থানীয় প্রশাসনের ভাষায়, অভিযানে “বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী” অবৈধ বাসিন্দাদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে যাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে, তারা অধিকাংশই বাংলা ভাষাভাষী মুসলিম, যারা বহু বছর ধরে সেখানে বসবাস করে আসছেন।

গত সপ্তাহে গোলপাড়া জেলার পাইকান সংরক্ষিত বন এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয় এবং সেখানেই প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় গণমাধ্যম মাকতুব মিডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশের গুলিতে এক মুসলিম ব্যক্তি নিহত হন এবং আরও একজন গুরুতর আহত হন। আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের গৌহাটির হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সরকারি হিসেবে বলা হচ্ছে, সংরক্ষিত বনভূমির ১৪০ হেক্টর জমি খালি করা হচ্ছে। কিন্তু এই অভিযানে বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮০টি পরিবার, যাদের অধিকাংশই বাঙালি মুসলমান।

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে লিখেছেন: “উচ্ছেদ চলতেই থাকবে। আমাদের বনভূমি ও ভূমির ওপর স্থানীয় অধিকার রক্ষার কাজ চলতেই থাকবে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চলতেই থাকবে।”

কিন্তু এই “অবৈধ অনুপ্রবেশকারী” তত্ত্ব নিয়ে বহুদিন ধরেই প্রশ্ন তুলছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য সরকার এখন এই ব্যাখার আড়ালে মুসলিম জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে উচ্ছেদ বা ‘বুলডোজার জাস্টিস’ চালাচ্ছে।

গত বছরই দিল্লিতে একটি শতাব্দী প্রাচীন মসজিদ ভেঙে দেওয়া হয়, যা আসলে ভারত রাষ্ট্র গঠনের আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। অথচ এটিকেও বনভূমি পুনর্দখলের নামে অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছিল।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে বহুদিন ধরেই মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। তিনি বাঙালি মুসলিমদের “বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী” বলে অভিযোগ করে থাকেন। ২০২৩ সালের আগস্টে তিনি বলেন, “আমি পক্ষ নেব। এটাই আমার আদর্শ।”

তিনি এমনকি সবজির মূল্যবৃদ্ধি ও রাজ্যে বন্যার জন্যও মুসলিমদের দায়ী করেছেন, যা পরে বিভিন্ন জাতীয়তাবাদী সংগঠনের মুসলিমদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়ার পথ প্রশস্ত করেছে।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে এগোবে না সমঝোতা
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে এগোবে না সমঝোতা
বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
অবশেষে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
অবশেষে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান