• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

‘জুলাই ৩২’

যুবদলের অংশগ্রহণে আন্দোলন হয়ে ওঠে অপরাজেয়

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১ আগস্ট ২০২৫, ০১:৫৫ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

ভিন্ন কৌশল আর সাহসিকতায় আন্দোলনের মোড় বদলে যায় সরকার পতনের লড়াইয়ের। জুলাই অভ্যুত্থানে পিছু হটে স্বৈরাচারী সরকার। ছাত্র-জনতার সঙ্গে রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব ও সমর্থন পাল্টে দেয় পুরো চিত্র। বিশেষ করে যুবদলের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ আন্দোলনের গতিকে নিয়ে যায় অনন্য উচ্চতায়। ৭৪ কর্মীর জীবনদান আর হাজারো আহতের বিনিময়ে শেখ হাসিনার সরকার পতনের অন্যতম অংশীজন হয়ে ওঠে বিএনপির সহযোগী 
ক্ষমতায় টিকে থাকতে মরিয়া সরকার যখন রাজপথে বইয়ে দেয় রক্তস্রোত, তখন স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল নিরস্ত্র মানুষ। ৩৬ শব্দটি শুধুই ‌সংখ্যা নয় এর মাঝে নিহিত হাজারো শহীদের 

যুবদলকর্মী মোবারক বলেন, ১৬ জুলাই যখন নির্দেশ এলো তখন ১৮ জুলাই যুবদলসহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আন্দোলনে নেমে যায়। মিরপুর-১০ এ যখন আমরা আন্দোলনে যাই, তখন আমরা ছাত্র ভাইদের সঙ্গে এক হয়ে যাই। আসলে গুলি কি পুলিশ কি তখন আমরা এগুলোকে ভয় করিনি। আচমকা এক পায়ে গুলি লাগে, তখন আমি পড়ে যাই।

মোবারকের মত অসংখ্য তরুণ সেদিন নিজের জীবন বাজি রেখে মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে লড়েছে হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে। কেউবা হারিয়েছে হাত পা চোখ কেউবা বিলয়ে দেন জীবন।

যুবদল নেতা মানিক বলেন, আন্দোলনের সময় আমি চোখে গুলি খাই। তখন চারিদিক থেকে পুলিশ গুলি করা শুরু করে। ধাওয়া ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা অবস্থান নেয়। তারা সাধারণ ছাত্রদের ওপর গুলি করে।

উত্তাল আন্দোলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা পুলিশ ও পেটোয়া বাহিনীর গুলির বিপরীতে নিজেদের সাহসিকতার উদাহরণ রাখেন ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে।

যুবদল নেতা মিরাজ বলেন, মিরপুর ১০ নাম্বার একটা ডেঞ্জারাস জোন ছিল। পুরোটা আমি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেছিলাম। একটার ওপর একটা লাশ রেখে ভ্যানে করে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলাম। স্বাধীন হওয়ার পরও বিকেল বেলা যুবদলের তিন ছেলে পুলিশের গুলিতে মারা গেছে।

যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেন, ৪ আগস্ট পর্যন্ত আমাদের প্রত্যেক দিনের আন্দোলন ছিল জীবন হাতে নিয়ে। কোন ব্যানার ব্যবহার না করেই সাধারণ ছাত্রদের সহযোগিতা করার জন্য পার্টি থেকে আমাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। আমাদের সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে জুলাই আগস্টে বিপ্লবে আমরা সম্পূর্ণভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সেই জামায়াত এমপিকে সংসার গুছিয়ে দিতে চাইলেন পার্থ
সেই জামায়াত এমপিকে সংসার গুছিয়ে দিতে চাইলেন পার্থ
জুবাইদা রহমানের জন্মদিনে জনহিতকর কর্মসূচি
জুবাইদা রহমানের জন্মদিনে জনহিতকর কর্মসূচি
চরমোনাই মাদরাসার প্রভাষকের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি ইসলামী আন্দোলনের
চরমোনাই মাদরাসার প্রভাষকের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি ইসলামী আন্দোলনের