• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

হলুদের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি    ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১:৩৯ পি.এম.
ছবি: ভিওডি বাংলা

টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়াঞ্চলে হলুদের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। অতিবৃষ্টি,খরা,প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে হলুদ চাষিরা তৃপ্তির হাসি হাসবেন।হলুদ চাষ অন্য ফসলের চেয়ে অধিক লাভজনক। অল্প জমিতে কম খরচে অধিক হলুদ চাষ করা সম্ভব। হলুদ চাষে নিয়মিত পরিচর্যার দরকার হয়না। এ ফসলে গরু, ছাগল ও পোকা-মাকড়ের কোনো উপদ্রব নেই,ফসল হানির শঙ্কাও কম।পরিত্যক্ত জমিতে হলুদের চাষ ভালো হয়। মশলা জাতীয় খাদ্যদ্রব্য হলুদের চাহিদা অনেক,দামও অন্য ফসলের চেয়ে ভাল। এ কারণে মধুপুরে দিন দিন হলুদের আবাদ বাড়ছে। 

কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে এবছর ৮০০ হেক্টর জমিতে হলুদের চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার মেট্রিক টন। গত বছর ৭৬০ হেক্ট্রর জমিতে হলুদের হয়েছিল। উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ছিল ৯ হাজার মেট্রিক টন।  কোন প্রকার প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে এ বছর মধুপুরে প্রায় ৫৮ কোটি টাকার হলুদ বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।
জানা যায়, মসলা জাতীয় ফসলের মধ্যে হলুদ একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য। প্রতিদিনের রান্নায় হলুদের ব্যবহার হয় সবচেয়ে বেশী। মসলা হিসাবে ব্যবহার ছাড়াও অনেক ধরণের প্রসাধনী কাজে ও রং শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে হলুদ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যা চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল।  

মির্জাবাড়ি ইউনিয়নের ব্রাক্ষ্মনবাড়ি গ্রামের হলুদ চাষি রেজাউল করিম,আক্তার হোসেন,নজরুল ইসলাম জানান, প্রতি বছরের মত এ বছরও তারা দশ বিঘা জমিতে হলুদ রোপন করেছেন। অন্য ফসলের তুলনায় হলুদ চাষ অনেকাংশে সহজ ও লাভজনক। প্রতি বিঘায় সব মিলিয়ে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি বিঘায় ৭০ থেকে ৮০ মন হলুদ উৎপাদনের সম্ভা রয়েছে। বাজার মৃল্য আশানুরুপ হলে প্রতি বিঘায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা লাভের আশা প্রকাশ করেন তারা।

ভবানীটিকি গ্রামের বাপ্পি জানান,হলুদ রোপণের পর তা পরিপক্ক হতে প্রায় এক বছর সময় লাগে। তবে হলুদ চাষে খুব একটা ঝামেলা পোহাতে হয় না। সার ও কীটনাশকও ব্যবহার করতে হয় কম। প্রতি বিঘা জমি হলুদ চাষের জন্য খরচ হয় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ বাদে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা লাভ হয়।

মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রকিব আল রানা জানান, মধুপুর উপজেলার  জয়নাতলী,ভুিটয়া,অরণখোলা,বেরিবাইদ,কুড়াগাছা,মমিনপুর,মির্জাবাড়ি,গাছাবাড়ি এলাকায় প্রচুর পরিমান হলুদ চাষ হয়েছে । হলুদ বছরব্যাপী ফসল হওয়ায় সাথী ফসল হিসেবে কৃষকরা এর আবাদ করে থাকে। হলুদে তেমন কোনো ধরনের রোগবালাই নেই বললেই চলে। ফলে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন।হলুদ রোপন থেকে শুরু করে উৎপাদন পর্যন্ত কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে উপসহকারি কর্মকর্তারা মাঠে গিয়েও কৃষকদের পরামর্শ দেন। 

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
১ লাখ পিস ইয়াবা গায়েব, বিতর্কিত সেই ওসি প্রত্যাহার
১ লাখ পিস ইয়াবা গায়েব, বিতর্কিত সেই ওসি প্রত্যাহার
ফেসবুকে প্রবাসীর সঙ্গে প্রেম, হঠাৎ বাড়িতে হাজির প্রেমিকা
ফেসবুকে প্রবাসীর সঙ্গে প্রেম, হঠাৎ বাড়িতে হাজির প্রেমিকা
এটি স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চবিলাসী বাজেট আইনমন্ত্রী
এটি স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চবিলাসী বাজেট আইনমন্ত্রী