• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
সংসদে কোনো ঋণখেলাপি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেষ ২৩ মিনিটে ৫ গোল, বসনিয়াকে ৪-১ গোলে হারাল সুইজারল্যান্ড জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

দুর্নীতি মামলায় খালাস পেলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৫ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৩৪ পি.এম.
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়-ছবি সংগৃহীত

১৬ বছর আগের দুর্নীতি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় খালাস পেয়েছেন। রোববার (৫ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক কামরুল হাসান খান অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাসের রায় দেন। 

এর আগে দুদক ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ১৯ আগস্ট আদালত রায়ের জন্য গত ২৮ অগাস্ট নির্ধারণ করেন। তবে কয়েক দফা পেছানো হয় রায়ের দিন।

২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক এস. এম. মফিদুল ইসলাম বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, রায়ের বাজারে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের একটি ছয়তলা বাড়ি রয়েছে, যার নির্মাণ ব্যয় ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং কেরানীগঞ্জে পৈত্রিক জমিতে তার বাড়ির নির্মাণ ব্যয় ১৫ লাখ ৪ হাজার টাকা। অথচ গণপূর্ত বিভাগ কর্তৃক ওই বাড়ি দু’টির অতিরিক্ত নির্মাণ ব্যয় পাওয়া যায় ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৫ টাকা, যা তার গোপন করা এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত হয়। এছাড়া গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বাসায় ব্যবহার্য ৫৮ হাজার ৬০০ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী পাওয়া যায়, যা তার ঘোষণা ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ২০০৪-২০০৫ সালে ক্ষমতাসীন দলের নেতা হওয়ার সুবাদে অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেড ও রেজা কন্সট্রাকশন লিমিটেড নামের দু’টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা গ্রহণ করেন, যা তার অবৈধ অর্জন। তার বাড়ি নির্মাণ, ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের মাধ্যমে অর্জিত মোট সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৮৬ লাখ ৯৫ হাজার ১০৫ টাকা। এসব অর্থ সম্পদ তিনি অবৈধভাবে অর্জন করেছেন মর্মে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

মামলার তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালতে আজ রায় ঘোষণা করা হয়। ৪৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৯ জন সাক্ষ্য দেন।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড
শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড
মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রূপার দায় অস্বীকার
শাপলা চত্বর হত্যা মামলা মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রূপার দায় অস্বীকার
নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভবন নির্মাণে আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের
নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভবন নির্মাণে আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের