{# Both bootstrap.min.css (190KB) and style.css (129KB) async-loaded via preload + onload swap. Inline critical CSS above covers above-the-fold. #} {# Preload FA solid woff2 so the header burger/search glyphs paint without waiting for the print-swap stylesheet to flip to all + fetch the font. #} {# Third-party scripts: GA / ShareThis / Cloudflare on idle. AdSense is special — show_ads_impl_fy2021.js was eating 2.1s CPU, so it loads ONLY when an ad slot is near the viewport. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

কে হচ্ছেন দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি?

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৪৪ এ.এম.
ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৭ ডিসেম্বর। সে সঙ্গে শূন্য হতে যাচ্ছে দেশের সর্বোচ্চ বিচারিক আসন। সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই নতুন প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেবেন। তবে এবার দায়িত্বটি আরও গুরুত্বপূর্ণ—কারণ নতুন প্রধান বিচারপতির মেয়াদেই অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের ফলে তিনি হতে পারেন পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাও।
সিনিয়রিটি নাকি কর্মদক্ষতা—কোনটিকে গুরুত্ব দেয়া হবে?

প্রধান বিচারপতি নিয়োগে প্রচলিত রেওয়াজ হলো আপিল বিভাগের বিচারপতিদের মধ্য থেকে সিনিয়র সদস্যকে বেছে নেয়া। তবে বর্তমান প্রধান বিচারপতি সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগ থেকে নিয়োগ পাওয়ায় এবার সে রেওয়াজ ভাঙার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। আপিল বিভাগে বর্তমানে প্রধান বিচারপতিসহ আছেন সাতজন বিচারপতি। তার অবসরের পর সংখ্যা দাঁড়াবে আটজন।

বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম:-

বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ১৫ জুলাই ১৯৫৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা এ কে এম নুরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আর মা জাহানারা আরজু একুশে পদক প্রাপ্ত কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। মো. আশফাকুল ইসলাম ১৯৮৩ সালে জেলা আদালতের আইনজীবী হন।

১৯৮৫ সালে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হন। ২৭ আগস্ট ২০০৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি নিযুক্ত হন মো. আশফাকুল ইসলাম। ২৭ আগস্ট ২০০৫ সালে তাকে হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি করা হয়। তিনি ২০২২ সালের ডিসেম্বরে হাইকোর্ট থেকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী:-

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা প্রয়াত এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স ও এলএলএম ডিগ্রি নেওয়ার পর যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর আরেকটি মাস্টার্স করেন।

জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে ও ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট জুবায়ের রহমান চৌধুরী অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান। দুই বছর পর হাইকোর্ট বিভাগে তার নিয়োগ স্থায়ী হয়।

২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন এবং ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি শপথ পাঠ করেন।

বিচারপতি মো. রেজাউল হক:-

বিচারপতি রেজাউল হকের জন্ম ১৯৬০ সালের ২৪ এপ্রিল। তিনি আইনে স্নাতক (এলএলবি) এবং কলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। রেজাউল হক ৮ এপ্রিল ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ২১ জুন ১৯৯০ সালে হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হন।

২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট রেজাউল হককে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত করা হয়। রেজাউল হককে ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট স্থায়ী বিচারক করা হয়। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক:-

বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক ১৯৬৩ সালের ৭ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ইমদাদুল হক ১৯৯০ সালের ৭ অক্টোবর জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন।

তিনি ১৯৯২ সালের ২৬ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হন। ইমদাদুল হক ২০০৪ সালের‌ ২৩ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। পরে ২৩ আগস্ট ২০০৬ সালে তিনি স্থায়ী বিচারক হিসেবে দায়িত্বপালন শুরু করেন। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান ইমদাদুল হক।

বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান:-

১৯৬৯ সালের ১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পর ১৯৮৩ সালে তিনি জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগের এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান এ কে এম আসাদুজ্জামান। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে স্থায়ী হন। ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব:-

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম পাসের পর ১৯৯২ সালে জেলা আদালতে আইন পেশা শুরু করেন। ১৯৯৪ সালের ১৫ অক্টোবর হাইকোর্টে ও ২০০২ সালের ১৫ মে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত হন। ২০০৬ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান।

সাবেক মন্ত্রী ও প্রখ্যাত অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমানের মেয়ে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। তিনি ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য ‘ওয়ানস্টপ সেবা’ নিশ্চিত করবে সরকার: মাহদী আমিন
শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য ‘ওয়ানস্টপ সেবা’ নিশ্চিত করবে সরকার: মাহদী আমিন
মব কালচার বন্ধে আইন সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মব কালচার বন্ধে আইন সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
টেকসই ও নিরাপদ উপকূলীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা সময়ের দাবি
পানিসম্পদ মন্ত্রী টেকসই ও নিরাপদ উপকূলীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা সময়ের দাবি