{# Both bootstrap.min.css (190KB) and style.css (129KB) async-loaded via preload + onload swap. Inline critical CSS above covers above-the-fold. #} {# Third-party scripts: GA / ShareThis / Cloudflare on idle. AdSense is special — show_ads_impl_fy2021.js was eating 2.1s CPU, so it loads ONLY when an ad slot is near the viewport. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

পানিসম্পদ মন্ত্রী

টেকসই ও নিরাপদ উপকূলীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা সময়ের দাবি

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ১০ মে ২০২৬, ০৭:৫৮ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় টেকসই ও ক্ষয়রোধী উপকূলীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি। তিনি বলেছেন, দেশের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য নিরাপদ উপকূলীয় অবকাঠামো নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি।

রোববার (১০ মে) ঢাকায় ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারস বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘Seminar on Corrosion-Resistant Coastal Infrastructure in Bangladesh and Unveiling of Project Management Training Manual (2nd Edition) & Certificate Awarding’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, “টেকসই ও নিরাপদ উপকূলীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা সময়ের দাবি।” তিনি আরও বলেন, উন্নত নির্মাণসামগ্রী, পরিবেশবান্ধব প্রকৌশল এবং জলবায়ু সহনশীল নকশা ব্যবহারের মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলকে জলবায়ুজনিত ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি হওয়ায় উপকূলীয় অঞ্চলে বিভিন্ন পরিবেশগত সমস্যা বাড়ছে। কৃষিজমি কমে যাওয়ার পাশাপাশি মৎস্যজীবীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে উপকূলীয় সম্পদের অতিব্যবহার, পানিদূষণ এবং ম্যানগ্রোভ বন ধ্বংসের মতো সমস্যাও বাড়ছে।

পানিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে উপকূলীয় এলাকায় ক্ষয় বাড়ছে এবং বিভিন্ন স্থানে লবণাক্ত পানি প্রবেশ করছে। এর ফলে কৃষি উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সামুদ্রিক দূষণ বাড়ছে এবং সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্র নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়ছে। উপকূলীয় ক্ষয় রোধে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।

এ্যানি চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি পুনরুজ্জীবিত করছে। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল, পুকুর ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি একই সময়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যা উপকূলীয় এলাকায় সবুজ বেষ্টনী গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ সুরক্ষায় কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট রুলস এবং স্পেশাল ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান প্রণয়ন জরুরি। এছাড়া কৃষিজমি রক্ষায় আইন প্রণয়ন, ভূগর্ভস্থ পানির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তার মতে, উপকূলীয় এলাকায় মানুষ ও পরিবেশ—উভয়ের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারস বাংলাদেশ (আইইবি)-এর ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আইইবি’র সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খোকন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইইবি ও রাজউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম এবং এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ বেলাল হোসেন। কি-নোট স্পিকার ছিলেন প্রফেসর ড. মোঃ তারেক উদ্দিন।

ভিওডি বাংলা/এমএস 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
আইভীর জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ
আইভীর জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ
নৌ মন্ত্রণালয়ে ১৬ সংস্থা, তবুও ঘাটতি ও অপূর্ণতা : নৌ-মন্ত্রী
নৌ মন্ত্রণালয়ে ১৬ সংস্থা, তবুও ঘাটতি ও অপূর্ণতা : নৌ-মন্ত্রী
ডেঙ্গু পরিস্থিতি জানতে ১০ দিনের বিশেষ জরিপ শুরু করেছে ডিএসসিসি
ডেঙ্গু পরিস্থিতি জানতে ১০ দিনের বিশেষ জরিপ শুরু করেছে ডিএসসিসি