• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
পিজিআরের নিরাপত্তা কৌশলে জনগণ যেন বিচ্ছিন্ন বোধ না করে: প্রধানমন্ত্রী কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে অভিজ্ঞ নেতাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: আবদুস সালাম পোল্যান্ড সীমান্তে ৯ বাংলাদেশিসহ ৫৪ অভিবাসী আটক সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষেধ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ খামেনির জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিয়েছেন ৩ ছেলে চলতি সপ্তাহেই পাকিস্তানে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প: ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবেন মেসি ভূমিকম্পের পর ৯৪২ আফটারশক, ভেনেজুয়েলায় নিহত বেড়ে ২৯৫৪

বছরের প্রথম সুপারমুন দেখা যাবে আকাশে

লাইফস্টাইল    ২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৭ পি.এম.
পূর্ণ উলফ সুপারমুন-ছবি: সংগৃহীত
পূর্ণ উলফ সুপারমুন-ছবি: সংগৃহীত

বছরের প্রথম সুপারমুন দেখা যাবে আগামী ৩ জানুয়ারি রাতে। এদিন আকাশে ফুটে উঠবে পূর্ণ উলফ সুপারমুন, যা স্বাভাবিক পূর্ণিমার তুলনায় বড় ও উজ্জ্বল দেখাবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ভাষায়, যখন পূর্ণিমার সময় চাঁদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের অবস্থানে থাকে, তখন তাকে সুপারমুন বলা হয়। এই সবচেয়ে কাছের অবস্থানকে বলা হয় পেরিজি।

৩ জানুয়ারি চাঁদ পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৬২,৩১২ কিলোমিটার দূরে থাকবে, যা গড় দূরত্বের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। এর ফলে চাঁদকে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ বড় এবং ৩০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল মনে হবে।

এবারের সুপারমুন আরও বিশেষ হয়ে উঠছে একটি অতিরিক্ত কারণে। এই পূর্ণিমা ঘটছে পৃথিবীর পেরিহেলিয়ন সময়ের খুব কাছাকাছি। পেরিহেলিয়ন হলো সেই সময়, যখন পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে। সাধারণত প্রতি বছর জানুয়ারির শুরুতেই পৃথিবী সূর্যের প্রায় ১৪৭ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করে। এ সময় সূর্যের আলো পৃথিবী ও চাঁদের ওপর সামান্য বেশি পড়ে, ফলে চাঁদের উজ্জ্বলতা আরও বেড়ে যায়।

এই কারণে এবারের উলফ সুপারমুনকে বলা হচ্ছে এক ধরনের ‘তিনগুণ উজ্জ্বলতার আয়োজন’- পূর্ণিমা, পেরিজি এবং পেরিহেলিয়নের সম্মিলিত প্রভাব একসঙ্গে দেখা যাবে।

জানুয়ারির পূর্ণিমার চাঁদকে ঐতিহ্যগতভাবে বলা হয় উলফ মুন। শীতকালে নেকড়েদের ডাক বেশি শোনা যেত বলে ইউরোপীয় সংস্কৃতিতে এই নামের প্রচলন হয়েছে। এই সময়ে শীতের কারণে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে, ফলে আকাশ তুলনামূলকভাবে পরিষ্কার ও স্বচ্ছ থাকে। তাই খালি চোখেই এই দৃশ্য উপভোগ করা সম্ভব- কোনো বিশেষ যন্ত্রের প্রয়োজন নেই।

চাঁদের কক্ষপথ পুরোপুরি গোল নয়, বরং সামান্য ডিম্বাকৃতির। তাই চাঁদ কখনো পৃথিবীর কাছে আসে, কখনো দূরে সরে যায়। বছরে প্রায় ১৩ বার পেরিজি ঘটে, তবে প্রতিবার পেরিজির সঙ্গে পূর্ণিমা বা অমাবস্যা না মিললে সুপারমুন হয় না।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরের আগে আর কোনো পূর্ণ সুপারমুন দেখা যাবে না। ফলে জানুয়ারির এই উলফ সুপারমুন আকাশপ্রেমীদের জন্য একটি বিরল সুযোগ।

আকাশ পরিষ্কার থাকলে ৩ জানুয়ারি রাতে বাইরে তাকালেই দেখা মিলতে পারে এই ব্যতিক্রমী চাঁদের। তাই শীতের রাতে একটি কম্বল গায়ে জড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে উপভোগ করা যেতে পারে বছরের প্রথম ও বিশেষ এই মহাজাগতিক দৃশ্য।

ভিওডি বাংলা/জা
 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
যোগব্যায়াম শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তি বাড়াতে সহায়তা করে। ছবি: সংগৃহীত
কাল আন্তর্জাতিক যোগ দিবস
দেশি নানা ধরনের শাক শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস। ছবি: সংগৃহীত
জানুন  কোন শাক কেন খাবেন?
ছবি: সংগৃহীত
বেকিং ছাড়াই ঘরেই তৈরি করুন ইতালিয়ান ডেজার্ট ‘তিরামিসু’