• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
পোল্যান্ড সীমান্তে ৯ বাংলাদেশিসহ ৫৪ অভিবাসী আটক সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষেধ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ খামেনির জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিয়েছেন ৩ ছেলে চলতি সপ্তাহেই পাকিস্তানে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প: ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবেন মেসি ভূমিকম্পের পর ৯৪২ আফটারশক, ভেনেজুয়েলায় নিহত বেড়ে ২৯৫৪ চতুর্মাত্রিক সশস্ত্র বাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর: রাষ্ট্রপতি খামেনির প্রথম জানাজা আজ, কানায় কানায় পূর্ণ গ্র্যান্ড মোসাল্লা বিমানবন্দর থেকে হঠাৎ উধাও মালয়েশিয়াগামী ৭১ যাত্রী

খামেনির জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিয়েছেন ৩ ছেলে

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ৫ জুলাই ২০২৬, ১২:২১ পি.এম.
খামেনির জানাজা সম্পন্ন
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। এতে তার ছেলেদের অংশ নিতে দেখা গেছে।

রোববার (৫ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত জানাজায় খামেনির ছেলে মাসুদ, মেইসাম এবং মোস্তফা অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়া আইআরজিসির কমান্ডার আহমদ ভাহিদিও এতে অংশ নেন।

এতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হত্যার হুমকির কারণে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি থাকায় খামেনির আরেক ছেলে এবং বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এতে অংশ নেননি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ জানিয়েছে, ইরানের অন্যতম জ্যেষ্ঠ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি জানাজায় ইমামতি করেছেন। এতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেন মোহসেনি এজেই অংশ নিয়েছেন। এছাড়া আইআরজিসির কুদস ফোর্সের কমান্ডার ইসমাইল কানিও এতে অংশ নেন।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, জানাজা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই মোসাল্লার প্রধান চত্বর কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। জানাজার পর সোমবার তেহরানে এবং মঙ্গলবার পবিত্র শহর কোমে শোক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর খামেনির মরদেহ আরও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে ইরাকের নজফ ও কারবালা শহরে নিয়ে যাওয়া হবে। পরে বৃহস্পতিবার দাফনের জন্য মরদেহ ইরানের মাশহাদ শহরে ফিরিয়ে আনা হবে।

ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়ে দেশের প্রথম সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। তার মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সাল থেকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করেন। পাহলভি রাজতন্ত্রের অবসান ঘটানো ইসলামী বিপ্লবের আদর্শিক নেতা ছিলেন খোমেনি। অন্যদিকে, সেই বিপ্লবের সামরিক ও আধাসামরিক কাঠামো গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন খামেনি।

খামেনির মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হন তার ছেলে মোজতবা খামেনি। তার শাসনামলের শুরুতেই এত বড় রাষ্ট্রীয় আয়োজন হতে যাচ্ছে। যদিও সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি এখনো প্রকাশ্যে আসেননি।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শিয়া শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের প্রাক্কালে তিনি রাজতন্ত্রবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন।

ইরাকের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সময় ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে তিনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন।

খামেনি ইরানের সামরিক ও আধাসামরিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করেন। পাশাপাশি বহির্বিশ্বের হুমকি মোকাবিলায় একটি উন্নত প্রতিরক্ষা কৌশল প্রতিষ্ঠা করেন। তার শাসনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ আসে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। সে সময় অর্থনৈতিক দুর্দশাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দেশব্যাপী অস্থিরতায় রূপ নেয়। পরে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় তিনি নিহত হন।

ভিওডি বাংলা/এফএ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
আমাকে থামাতে চাইলে মেরে ফেলতে হবে: মমতা
মাইক পম্পেও
আমেরিকার ২৫০ বছর: আশীর্বাদপুষ্ট এক জাতির অভিযাত্রা
ক্যারোলিন লেভিট
জেন জি-কে খোঁচা দিলেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি