• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি পর্তুগালের ড্রতে র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় পরিবর্তন, লাভে ব্রাজিল

মাদক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা ইশরাকের

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৩ পি.এম.
বক্তব্য রাখছেন ঢাকা–৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। ছবি: ভিওডি বাংলা

মাদকের  বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা–৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। নির্বাচিত হলে তাঁর আসনে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অবৈধ দখলের কোনো সুযোগ থাকবে না বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওয়ারির রবিদাস পাড়া রেংগস অনামিকা ও রবিদাস পাড়া এপার্টমেন্ট ল্যান্ড অর্নারদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য মাদক দেশের রন্ধে রন্ধে ঢোকানো হয়েছে মন্তব্য করে ইশরাক হোসেন বলেন, সীমান্ত দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাদক প্রবেশ করিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, বিশেষ করে ছাত্র ও যুব সমাজকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।

তিনি বলেন, অতীত সরকারের সময়ে একজন মাদক গডফাদারকে সংসদে পাঠানো হয়েছিল। পরে বিতর্কের মুখে তাঁকে বাদ দিয়ে তাঁর স্ত্রীকে সংসদে পাঠানো হয়। তিনি মনে করেন, ছাত্র ও যুব সমাজকে ধ্বংস করা গেলে একটি জাতিকে পিছিয়ে দেওয়া যায় এবং সেটিই একটি দাস রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য যথেষ্ট। আর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সেই চেষ্টাই চালানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ওপর আধিপত্যবাদী শক্তির একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। এ বিষয়ে তাঁর অবস্থান জিরো টলারেন্স। সুযোগ পেলে স্থানীয়ভাবে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকের স্পটগুলো নিজে দাঁড়িয়ে বন্ধ করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কথা জানান তিনি।

ইশরাক হোসেন বলেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অস্ত্রবাজি কিংবা অন্য কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না। যতদিন তিনি জীবিত থাকবেন, ততদিন এসব অপরাধের কোনো সুযোগ থাকবে না বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

এ সময় তিনি সড়ক ও ফুটপাথে অবৈধ স্থাপনার বিষয়টি তুলে ধরেন। বলেন, রাস্তা ও ফুটপাত সরকারি সম্পত্তি। পরিচয় যাই হোক না কেন, সেখানে অবৈধভাবে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা যায় না। এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে যানজট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে এবং এলাকার পরিবেশ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আমি সুযোগ পেলে এগুলোর একটা ব্যবস্থা করব।

ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, তিনি আগে কখনো রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বা জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। তাই তিনি জনগণের কাছে একটি সুযোগ চাইছেন। সুযোগ পেলে একজন জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে জনগণ যে প্রত্যাশা করে, তা সর্বোচ্চভাবে পূরণ করার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এলাকার মুরুব্বিদের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা নিয়ে নাগরিক সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ করা হবে। দীর্ঘদিন অবহেলিত এই অঞ্চলকে বাসযোগ্য করে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ৬ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইশরাক হোসেন এর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জামেল হক মুক্তাসহ প্রমুখ।

ভিওডি বাংলা/ সবুজ/ আরিফ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সেই জামায়াত এমপিকে সংসার গুছিয়ে দিতে চাইলেন পার্থ
সেই জামায়াত এমপিকে সংসার গুছিয়ে দিতে চাইলেন পার্থ
জুবাইদা রহমানের জন্মদিনে জনহিতকর কর্মসূচি
জুবাইদা রহমানের জন্মদিনে জনহিতকর কর্মসূচি
চরমোনাই মাদরাসার প্রভাষকের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি ইসলামী আন্দোলনের
চরমোনাই মাদরাসার প্রভাষকের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি ইসলামী আন্দোলনের