• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

নীলফামারীতে সংখ্যালঘুদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ

নীলফামারী প্রতিনিধি    ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৬ পি.এম.
নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে নির্বাচনী উত্তেজনার মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়িতে আগুন-ছবি: সংগৃহীত
নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে নির্বাচনী উত্তেজনার মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়িতে আগুন-ছবি: সংগৃহীত

নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ভোট প্রদান ও সমর্থনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা এ তাণ্ডব চালিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিএনপির প্রার্থী মাওলানা মনজুরুল ইসলাম আফেন্দীর ছোট ভাইয়ের একটি প্রাইভেট কার রাস্তার পাশে বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। গাড়ি মেরামত করার সময় জামায়াতের একদল কর্মী মোটরসাইকেলে এসে সেখানে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বাধা দিতে গেলে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর চড়াও হয় এবং কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

স্থানীয়রা জানান, আফেন্দীর ছোট ভাই ভোট চাইতে আসেননি, তবুও হামলা চালানো হয়েছে। সংখ্যালঘুদের দাবি, তারা কাকে ভোট দেবেন তা নিজের ইচ্ছায় ঠিক করেছিল, কিন্তু জামায়াতকে ভোট না দেওয়ার প্রতিহিংসামূলক এই হামলা চালানো হয়েছে।

এক স্থানীয় বলেন, “আজকে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, বাড়ি-ঘরে আগুন দেয়া হয়েছে। আমরা পরিবারসহ আতঙ্কিত এবং সাহায্যের জন্য আবেদন করছি।”

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে ডিমলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রওশন কবির ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ও বিজিবি নিয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার নির্দেশ দেন।

ভিওডি বাংলা/জা


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সংবাদ সম্মেলনে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রতিবাদ ও স্বপদে পুনর্বহালের দাবি অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
অভিযোগ ‘ষড়যন্ত্রমূলক’, ন্যায়বিচারের দাবি অধ্যক্ষের
কৃষিজমিতে ব্যবহৃত চারটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় সেচ কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগে স্থানীয় কৃষকরা। ছবি: ভিওডি বাংলা
যাদবপুরে এক রাতেই চার ট্রান্সফরমার চুরি
নির্ধারিত সময়ের আগেই জন্ম নেওয়ায় সংকটাপন্ন অবস্থায় রাখা হয়েছে অক্সিজেন সাপোর্টে। ছবি: ভিওডি বাংলা
অস্ত্রোপচার ছাড়াই পাঁচ সন্তানের জন্ম, মৃত্যু চার