• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

খামেনিকে হত্যার ‘নেপথ্যে সৌদি আরব’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ১ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৪ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে যৌথ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলা শুরু হয়, যাতে দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এ ঘটনায় ইরানের শীর্ষ আরও অনেক নেতা ও কমান্ডারও প্রাণ হারান। হামলার প্রেক্ষাপট এবং নেপথ্যের কূটনৈতিক চাপ নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার নেপথ্যে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের চাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সৌদি যুবরাজ পাবলিকভাবে তেহরানে হামলা না করার পক্ষে কূটনীতি সমর্থন করলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সঙ্গে বৈঠকে তিনি ভিন্ন অবস্থান নিতেন এবং সতর্ক করতেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে।

রয়টার্সের দুটি সূত্র জানিয়েছে, হামলা শুরুর কিছুক্ষণ আগে খামেনি একটি নিরাপদ স্থানে তার দুই সিনিয়র উপদেষ্টা আলি লারিজানি ও আলি শামখানি-র সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। এরপরই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা শুরু হয়।

ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ইরান-হামলার বিষয়ে সৌদি আরব ও ইস্রায়েলের একমত অবস্থান তাদেরকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের অস্বাভাবিক মার্কিন মিত্র জুটি’ হিসেবে পরিচিত করেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই যৌথ প্রচেষ্টা ট্রাম্পকে খামেনিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের জন্য অভিযান শুরু করতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

প্রকাশ্যে সৌদি যুবরাজ বলেছেন, সৌদি আরব তেহরানে হামলার জন্য তার আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না, তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত বৈঠকে তিনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র যদি যথাযথ সামরিক পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে ইরান আরও শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।

জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় যুবরাজের ভাই খালিদ বিন সালমানও মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রাইভেট বৈঠকে একই বার্তা দিয়েছেন। যুবরাজ সালমান তেহরানকে রিয়াদের প্রধান আঞ্চলিক প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেন।

অবশেষে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে, ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে।

ভিওডি বাংলা/এমএস

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে এগোবে না সমঝোতা
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে এগোবে না সমঝোতা
বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
অবশেষে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
অবশেষে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান