• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের দুই নেতাকে শোকজ

   ২৮ জানুয়ারী ২০২৫, ০৭:৪৩ পি.এম.
ফাইল ছবি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি জাহেদুল ইসলাম রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান জাপানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।
 
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এতে আগামী ২৮ জানুয়ারি সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের কাছে লিখিত ও মৌখিক ব্যাখা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান জাপান ও সিনিয়র সহসভাপতি জাহেদুল ইসলাম রাসেল পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের দ্বায়িত্বশীল পদে আসীন থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে আপনাদের বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না এই মর্মে আগামী ২৮/০১/২০২৫ ইং তারিখের মধ্যে জাতীয়বাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই নির্দেশনা দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি জাহেদুল ইসলাম রাসেল গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, আমাদের মধ্যে যারা নওশাদ ভাইয়ের লোক তাদের টার্গেট করে মারা হচ্ছে। তারা তো আজাদ ভাইয়ের লোক। গত ২৩ জানুয়ারি রাত ১১টার পরে নওশাদ ভাই চলে যাওয়ার পরপরই আমাকে মারধর করা হয়। আমার কোনো অপরাধ ছিল না। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসেছিল। আমাকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে। ঢাকার পথে আমি।

পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান জাপান বলেন, গত ২৩ জানুয়ারি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় আমাকে স্বেচ্ছাসেবকের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়। সেখানে জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলেরও কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। সেদিন নওশাদ ভাই সভায় আসার পরে কয়েকজন ডেলিগেট কার্ড ছাড়া ঢুকে পড়ে। আমরা তাদের বাধা দেই। এসময় কিছুটা বিশৃঙ্খলা হয়। আমাদের কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তিও হয়। আর সিনিয়র সহসভাপতি সব সময় দলের বহিষ্কৃতদের সঙ্গে ঘুরেন। আমরা সবাই এক তিনি আলাদা। তাকে হয়ত কেউ বলেছে যে এই কমিটি ভাঙতে পারলে তুমিই সভাপতি হবা। এই লোভেই হয়ত এমনটা করেছেন। এ ঘটনার ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য আমি ঢাকার পথে।

ভিওডি বাংলা/এম


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
‘জুলাই সনদ’ নিজেদের মতো করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে সরকার
‘জুলাই সনদ’ নিজেদের মতো করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে সরকার
১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে এনসিপি
১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে এনসিপি
জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল মা : মির্জা ফখরুল
জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল মা : মির্জা ফখরুল