মার্কিন দূতাবাসে যেকোনো সময় বড় হামলার আশঙ্কা, জরুরি সতর্কতা জারি

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে যে কোনো সময় হামলার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় জরুরি সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টাকে ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে সতর্ক অবস্থানে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) আলজাজিরা-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
দূতাবাসের প্রকাশিত সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বাগদাদ শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—মার্কিন নাগরিক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, কূটনৈতিক স্থাপনা, জ্বালানি অবকাঠামো, হোটেল, বিমানবন্দর এবং যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য স্থাপনা। পাশাপাশি ইরাকের সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ জনগণও ঝুঁকির মধ্যে থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
দূতাবাস আরও জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে এসব মিলিশিয়া গোষ্ঠী মার্কিন নাগরিকদের অপহরণকে লক্ষ্যবস্তু করছে। দুই দিন আগে বাগদাদে এক মার্কিন সাংবাদিক অপহরণের ঘটনার পর এই সতর্কতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ইরাকে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের দ্রুত দেশ ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সময় রাত ৯টায় হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভাষণের শুরুতে তিনি নাসা-এর ‘আর্টেমিস-II’ মিশনের সফল উৎক্ষেপণের জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান এবং এতে অংশ নেওয়া নভোচারীদের প্রশংসা করেন।
এরপর প্রায় এক মাস ধরে চলমান ইরান যুদ্ধ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, এই যুদ্ধে ইরান-এর নৌ ও বিমান শক্তি বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এবং দেশটির অনেক শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) বিবিসি-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন ট্রাম্প। বিশেষ করে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, তারা ‘অসাধারণ কাজ’ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের ব্যর্থ হতে দেবে না।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান বিভিন্ন দেশের ওপর হামলা চালিয়েছে, যা প্রমাণ করে তাদের কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।
এ সময় তিনি নিকোলাস মাদুরো-কে দ্রুত আটক করতে পারায় মার্কিন সেনাদের ধন্যবাদ জানান এবং দাবি করেন, এতে বিশ্বজুড়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এসেছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা-র সম্পর্ক উন্নতির পথে রয়েছে।
ভাষণে ট্রাম্প স্মরণ করেন, তার প্রথম মেয়াদে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানি-কে হত্যার অভিযানে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সোলাইমানিকে তিনি ‘বোমা হামলার মূল পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
ভিওডি বাংলা/এমএস







