{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

কাঁচপুরে আধুনিক আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা ডিএসসিসির

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৮ পি.এম.
ছবি: ভিওডি বাংলা
ছবি: ভিওডি বাংলা

রাজধানীর ভেতরের যানজট ও পরিবহন বিশৃঙ্খলা কমাতে শহরের প্রান্তে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে কাঁচপুরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন বাস টার্মিনাল নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নকশা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে।

আজ রবিবার রাজধানীর নগর ভবনে ডিএসসিসি প্রশাসকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সভায় কাঁচপুর বাস টার্মিনালের প্রাথমিক নকশা ও কারিগরি বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

ডিএসসিসি ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের উদ্যোগে ‘কাঁচপুর বাস টার্মিনাল (ডিপোসহ) এর সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, প্রাথমিক/ধারণাগত নকশা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের পরামর্শক সেবা’ শীর্ষক কাজ বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। ডিএসসিসি প্রশাসকের নেতৃত্বে বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটি রাজধানীর ভেতরের চাপ কমাতে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালগুলো শহরের প্রান্তে স্থানান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে চারটি বাস টার্মিনাল নির্বাচন করা হয়, যার মধ্যে কাঁচপুর ও বাঘাইর বাস টার্মিনাল ডিএসসিসির আওতায় অন্তর্ভুক্ত।

কাঁচপুর ও বাঘাইর বাস টার্মিনালের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং ধারণাগত ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের জন্য আইআইএফসি-বেটস-ডিপিএম জেভি নামের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে ডিএসসিসি। পরামর্শক দল ইতোমধ্যে কাঁচপুর বাস টার্মিনালের প্রাথমিক নকশা প্রস্তুত করেছে।

প্রাথমিক নকশা অনুযায়ী, কাঁচপুর বাস টার্মিনাল প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার আন্তঃজেলা বাসকে সেবা দিতে পারবে। ট্রাফিক জরিপের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে কাঁচপুর এলাকায় প্রতিদিন প্রায় ৪০২৭টি বাস চলাচল করে। টার্মিনালে ১০৫টি বাস বে থাকবে, যা পিক আওয়ারের চাহিদা পূরণে যথেষ্ট বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

প্রস্তাবিত ডিপোতে একই সময়ে ১৩৬টি বাস অবস্থান করতে পারবে এবং প্রতিদিন প্রায় ৮০০টি বাস ডিপো ব্যবহার করতে পারবে। টার্মিনাল থেকে হাইওয়েতে ক্রসিং ছাড়াই প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। র‍্যাম্পের মাধ্যমে বাসগুলো হাইওয়েতে ওঠানামা করতে পারবে, যা সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে ডিজাইন করা হয়েছে।

আন্তঃজেলা বাস, সিটি বাস ও ছোট যানবাহনের জন্য পৃথক ছয়টি প্রবেশ ও বাহির হওয়ার পথ থাকবে, যেখানে মোট ১৪টি লেন রাখা হয়েছে। পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য টার্মিনালের ভেতরে ও বাইরে সিগন্যালিংসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও থাকবে।

পরিকল্পনায় চালক-হেলপারদের জন্য ওয়েলফেয়ার ভবন, আধুনিক বাস ওয়াশিং ও মেরামত সুবিধা রাখা হয়েছে। ভবনের নিচতলায় ৪০০ বর্গমিটার ওয়াশিং ফ্যাসিলিটি এবং ১৩০৮ বর্গমিটার মেরামত এলাকা থাকবে। এখানে একই সময়ে পাঁচটি বাস ওয়াশ এবং পাঁচটি বাস মেরামত করা যাবে। ওপরের তলায় চালক ও হেলপারদের থাকার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এছাড়া বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা মূল চ্যানেলের মাধ্যমে শীতলক্ষ্যা নদীতে যুক্ত হবে। আইটিএস (ইন্টেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্টেশন সিস্টেম) সুবিধার আওতায় অনলাইন টিকিটিং, ট্রিপ প্ল্যানিং অ্যাপ, ভেহিকল ট্র্যাকিং এবং আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

ঢাকা শহরের অভ্যন্তরে চলাচলকারী বাসের জন্য ২০টি বাস বে রাখা হয়েছে, যা প্রতিদিন প্রায় ৭২০টি বাস ব্যবহার করতে পারবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ডিটিসিএ’র বাংলাদেশ ক্লিন এয়ার প্রজেক্টের আওতায় চালু হতে যাওয়া ইলেকট্রিক বাসের জন্য এসব বেয়ের প্রয়োজনীয় সংখ্যায় চার্জিং সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ভিওডি বাংলা/খতিব/এমএস 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি ক্যালেন্ডারে এক বছর, স্বজনদের মনে যেন গতকাল
ছবি: সংগৃহীত
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: যে দুপুরে থেমে গিয়েছিল অসংখ্য ক্ষুদে স্বপ্ন
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের যে গুম নিয়ে কথা বলছে এইচআরডব্লিউ