• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

ইতিহাসে প্রথমবারের মত

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হচ্ছেন আরিফ মোহাম্মদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৩ এ.এম.
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হচ্ছেন আরিফ মোহাম্মদ খান। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিহারের গভর্নর ও সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরিফ মোহাম্মদ খান-কে ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।  এই নিয়োগ শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো ভারতীয় উপমহাদেশের কূটনৈতিক ইতিহাসেও একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরিফ মোহাম্মদ খান কেবল একজন রাজনীতিক নন, বরং আধুনিক ভারতের ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী ও প্রগতিশীল চিন্তাবিদ হিসেবে পরিচিত। ১৯৮০-র দশকে রাজীব গান্ধী সরকারের মন্ত্রিসভায় কনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে তার রাজনৈতিক উত্থান ছিল উল্কার মতো। তবে ১৯৮৬ সালে ঐতিহাসিক ‘শাহ বানু’ মামলার রায় নিয়ে সরকারের রক্ষণশীল অবস্থানের প্রতিবাদে মন্ত্রিসভা ও কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করে তিনি এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। মুসলিম রক্ষণশীলদের উত্থান ও তোষণ নীতির বিরুদ্ধে তার আপসহীন অবস্থান তাকে ভারতীয় রাজনীতিতে এক বিশেষ উচ্চতায় নিয়ে যায়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আরিফ মোহাম্মদ খানের মতো একজন অভিজ্ঞ নেতাকে বাংলাদেশে পাঠানোর পেছনে ভারতের বিশেষ কৌশলগত লক্ষ্য থাকতে পারে। প্রায় ৪০ বছর আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হওয়া এই ব্যক্তিত্বকে সম্ভবত কেন্দ্রীয় পূর্ণমন্ত্রীর পদমর্যাদা (Cabinet Rank) দিয়ে ঢাকায় পাঠানো হবে। এর আগে এত বড় প্রোফাইলের কোনো রাজনীতিককে ভারত সরকার রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনার হিসেবে অন্য কোনো দেশে পাঠিয়েছে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক গবেষণা চলছে।

আরিফ খানের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি একাধিক সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তী জীবনে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দেন এবং সর্বশেষ বিহারের রাজ্যপাল (গভর্নর) হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। ভারতের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়েও তার নাম ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছিল।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আরিফ মোহাম্মদ খান-কে কেন্দ্রীয় পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদায় পাঠানো হতে পারে, যা তার রাজনৈতিক গুরুত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কেন এমন গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে—এই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে দুই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেই।

ভিওডি বাংলা/এসআর

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে এগোবে না সমঝোতা
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে এগোবে না সমঝোতা
বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
অবশেষে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
অবশেষে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান