বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা

শিক্ষক সংকট ও পদোন্নতি কার্যক্রম সমাধানের আশ্বাস না পাওয়ায় বুধবার থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিনব্যাপী কর্মবিরতি কর্মসূচি শেষে এ ঘোষণা দেন তারা।
শিক্ষকরা জানান, দাবি আদায়ে তারা কমপ্লিট শাটডাউনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। কিন্তু দাবি মানা তো দূরের কথা আমাদের সঙ্গে কেউ কোনো প্রকার কথা বলতে আসেনি। তাই বুধবার সকাল থেকে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চলবে।
এদিকে, মঙ্গলবার সকাল থেকে ক্যাম্পাসে কর্মবিরতি পালন করায় বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের ক্লাস, পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষকরা ক্লাস, পরীক্ষা গ্রহণ না করায় ফিরে যায় শিক্ষার্থীরা।
এর আগে, একই দাবি আদায়ে রোববার সন্ধ্যা ৭টা থেকে আমরণ অনশনে বসেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জামাল উদ্দিন।
সোমবার রাতে ওই শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫টি বিভাগের শিক্ষকরা সংহতি জানান।
শিক্ষকরা সংবিধি প্রণয়নের পূর্বে বিদ্যমান নীতিমালার আলোকে পদোন্নতি, নিয়োগ, পরীক্ষা ডিগ্রি চলমান রাখার দাবি জানিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। দাবি না মানলে বুধবার থেকে কমপ্লিট শাটডাউনের ঘোষণা দেন।
আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করা প্রক্টর রাহাত হোসেন ফয়সাল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছেনা। ফলে তারা দাবি আদায়ে এধরনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। আমাদের দাবি, সংবিধি প্রণয়নের পূর্বে বিদ্যমাণ নীতিমালার আলোকে পদোন্নতি, নিয়োগ, পরীক্ষা ডিগ্রি চলমান রাখাতে হবে।
শিক্ষক ড. হাফিজ আশরাফুল হক ও মুসতাকিম মিয়া বলেন, একটি বিভাগে ১৫-২০ জন শিক্ষক প্রয়োজন, সেখানে আছেন মাত্র চারজন। এক একজন শিক্ষকের ওপর ১৪-১৫টি কোর্সের লোড পড়ছে। তাই এই যোক্তিক দাবি বাস্তবায়নে সবাই একমত।
তারা বলেন, আমরা কমপ্লিট শাটডাউনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের দাবি মানা তো দূরের কথা, রাত ৯টা পর্যন্ত কেউ আমাদের সঙ্গে কোনো প্রকার যোগাযোগ করেনি। তাই বুধবার থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চলবে।
ভিওডি বাংলা/এসআর







