একাত্তর আমাদের পরিচয়, কথা বলতেই হবে: মির্জা ফখরুল

মাগরিবের নামাজের পর অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতির ভাষনের ওপর বক্তব্য দেয়ার সময়ে বিরোধী দলের প্রতি ইংগিত করে বিএনপি মহাসচিব স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তিনি বলেন, ‘‘একাত্তরকে যদি কেউ কটাক্ষ করে, সেই একাত্তরকে যদি খাটো করার চেষ্টা করে তখন সেটা আমাদের পক্ষে মেনে নেওয়া যায় না। সেইজন্যই আমার কালিগ সাহেব যেটা বলেছেন, একাত্তর নিয়ে কথা আমাদের বলতেই হবে।”
“কারণ এটা আমাদের আইডেন্টিফিকেশন, এটা আমাদের আইডেন্টি, এটা আমাদের পরিচয় এই একাত্তর নিয়ে আমি বারবার একই কথা বলছি একটা কারণ মাননীয় স্পিকার এই একাত্তর হচ্ছে আমাদের পরিচয়… এটা নিয়ে আমরা কথা বারবার বলতেই হবে।”
বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রশংসা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘ সমগ্র দেশের মানুষ আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে সমগ্র দেশের মানুষ এই নেতার দিকে তাকিয়ে আছে যিনি বাংলাদেশে এসে প্রথম যে কথাটা সকলের সামনে বলেছিলেন আই হ্যাভ এ প্ল্যান… আমার একটা পরিকল্পনা আছে। সেই পরিকল্পনা হচ্ছে দেশকে গড়ে তুলবার পরিকল্পনা, সেই পরিকল্পনা হচ্ছে দারিদ্র থেকে মুক্ত হবার পরিকল্পনা, সেই পরিকল্পনা হচ্ছে শিক্ষার পরিকল্পনা, সেই পরিকল্পনা হচ্ছে সকলকে স্বাস্থ্য সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা।”
‘‘আজকে সে কাজগুলো তিনি শুরু করেছেন । এগুলো নিয়ে অনেকে লক্ষ্য করে প্রশ্ন তুলেছে… এত টাকা পাবে কোথায়? আপনারা তো দেখছেন, কাজ শুরু হয়ে গেছে এবং উনি বর্ণনাও করেছেন কিভাবে টাকা আসবে, কোথায় থেকে যাবে।”
ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ দলের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলো তুলে ধরেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।
তিনি বলেন, “আমাদের এই তরুণ এই যুবককে প্রধানমন্ত্রী, আমাদের নেতাকে সামনে নিয়ে আমরা এগুচ্ছি, আমরা এগচ্ছি একটা সম্ভাবনার একটা প্রতীককে সামনে নিয়ে যাকে আমরা আশা করি যে তিনি বাংলাদেশের পরিবর্তন আনতে পারবেন।”
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চীন সফরের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, “স্পিকার আমি একটা ছোট্ট ঘটনা বলি। আমার বক্তব্য ২০০২ সালে আমি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী তার সঙ্গে চীন সফরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। তার সফর সঙ্গী ছিলাম। প্রচন্ড শীত ছিল গ্রেট হলের মধ্যে গার্ড অফ অনার দেয়া হলো দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে… তারপর প্রেজেন্টেশন লাইনে আমরা সবাই দাঁড়ালাম আমার পাশেই ছিলেন আমান উল্লাহ আমান তার পাশে ছিলেন আমাদের আজকের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।”
“যখন চীনা প্রধানমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাডাম প্রত্যেকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন পরিচয় করাতে করাতে যখন উনার সামনে আসলেন ম্যাডাম যখন পরিচয় করলেন মাই সান। প্রধানমন্ত্রী তার হাত ছোট্ট করে তার এখানে বললেন দা ফ্ল্যাগ অফ ইউর ফাদার। আজকে সেই পতাকা তিনি তুলে ধরেছেন, সেই পতাকা হচ্ছে স্বাধীনতার পতাকা, সেই পতাকা হচ্ছে সার্বভৌমত্বের পতাকা, সেই পতাকা গণতন্ত্রের পতাকা।”
ভিওডি বাংলা/জা







