বিপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জড়িত ৫ জন, নাম প্রকাশ

২০২৬ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে ক্রিকেটারসহ অন্তত পাঁচজন জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তারা শাস্তির মুখে আছেন।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের নাম প্রকাশ করেছে বিসিবি।
ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ধারা ভাঙার কারণে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করেছে। তারা হলেন— চট্টগ্রাম রয়্যালসের ম্যানেজার মোহাম্মদ লাবলুর রহমান, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহ-স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ তাওহিদুল হক তাওহিদ, ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিক এবং ক্রিকেট সংগঠক সামিনুর রহমান। এই পাঁচজনের বিরুদ্ধে ২০২৬ বিপিএলে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
বিসিবি জানিয়েছে, অভিযুক্তদের সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য নোটিশ পাওয়ার পর থেকে ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এ পর্যায়ে বিসিবি আর কোনো মন্তব্য করবে না বলেও জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ইন্টেগ্রিটি ইউনিট (বিসিবিআইইউ) পরিচালিত ২০২৬ বিপিএল ঘিরে দুর্নীতিমূলক আচরণ, জুয়া কার্যক্রম, দুর্নীতি দমন তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার বিষয়গুলো উঠে আসে। তদন্তে কথিত জুয়া সংক্রান্ত কার্যক্রম, দুর্নীতিমূলক প্রস্তাব ও নীতিমালার ৪.৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জারি করা ডিমান্ড নোটিশ মানতে ব্যর্থতা, সংশ্লিষ্ট গোপন যোগাযোগ মুছে ফেলা এবং মনোনীত দুর্নীতি দমন কর্মকর্তাকে (ড্যাকো) সহায়তা না করার অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
২০২৬ সালের বিপিএল চলাকালেই ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিসিবির তৎকালীন সভাপতি ফারুক আহমেদ একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করেন। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পর কমিটি বিসিবির কাছে প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার একটি বিশাল তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্ট এরপর তুলে দেওয়া হয় বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শালকে।
এরপর যাচাই বাছাই করে কয়েকজন ক্রিকেটার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে মিরপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বলেন, ক্রিকেটারসহ পাঁচজনকে এই অপরাধের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। তারা বড় ধরনের শাস্তি পেতে যাচ্ছেন।’
ভিওডি বাংলা/এফএ







