• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা

দেশ রেখে বিদেশি নেতাদের কেন পছন্দ করছেন : আলাল

   ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ০৪:১৩ পি.এম.

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক 

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা বাহিরের দেশের তিনটি দলের আদলে তাদের দল ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা কর্মসূচি নির্ধারণ করছে বলে মন্তব্য করে বিএনপি'র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, এই দেশে মাওলানা ভাসানি, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ জিয়ার মত এত নেতা থাকার পরও তারা বাহিরের নেতাদের এত পছন্দ করার কারন কি? তা জাতির সামনে পরিষ্কার করলে ভালো হয়। না হলে এই প্রজন্ম বিভ্রান্তিতে থাকবে।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) গণতান্ত্রিক জাগ্রত বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।  

আলাল বলেন, তুরস্কের এরদোয়ানপর একে পার্টি, পাকিস্তানের ইমরান খানের তেহরিক-এ- ইনসাফ এবং দিল্লির কেদিওয়ালের দলের নাম আম আদমি পার্টি। তিনটাই কিন্তু বাংলাদেশের সীমানার বাহিরে। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা এই তিনটি দলের আদলে তাদের দল ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা কর্মসূচি নির্ধারণ করছে। 

তিনি বলেন, আমার কাছে অবাক লাগে আমাদের যে ছেলেরা এই মাটিতে বেড়ে উঠলো, এই দেশের মাটির ঘ্রান তাদের শরীরে লেগে আছে তাদের কাছে বিদেশি নেতাদের মতবাদ এত জনপ্রিয় হলো কেন? এটা দেখার পর আমার আমার মনে প্রশ্ন জেগেছে আসলে এর মূল কারন কি? 

যুবদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, এই দেশে মাওলানা ভাসানি, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ জিয়ার মত এত নেতা থাকার পরও তারা বাহিরের নেতাদের এত পছন্দ করার কারন কি? তা জাতির সামনে পরিষ্কার করলে ভলাো হয়। না হলে এই প্রজন্ম বিভ্রান্তিতে থাকবে।

 তিনি বলেন, শেখ হাসিনার আন্দোলনের চেয়েও পালানোর পিছনে সব থেকে বড় যে উপসর্গ ছিলো তা হলো সমাজের সকল পেশার মানুষ তার উপর অতিষ্ঠ ছিলো। কিছু সুবিধা ভোগী ছাড়া।

এ সময় তিনি বলেন , শেখ হাসিনা পালানোর পিছনে সবার ঐক্য বদ্ধ হয়ে আন্দোলন করার ফল। বিএনপি এটি এককভাবে দেড় যুগ ধরে করে আসছে। তাই এই জায়গায় এসে ঠেলাঠেলি আর খোঁচাখুঁচি সমর্থন যোগ্য না।

আলাল বলেন, সেনাপ্রধান বলেছিলেন আন্দোলন এবং পরবর্তী সময়ে ক্যান্টনম্যান্টে ৬২৬ জন  আশ্রয় নিয়েছেন। এবং এটিও বলছিলেন আরও যদি কেউ নিরাপত্তার জন্য আশ্রয় নিতে চায় তাহলে তারা আশ্রয় দিবে। কিন্তু কথা হলো এখন তারা কোথায়? এ নিয়ে অনেক গুঞ্জন রয়েছে। সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তা এবং সরকারি কর্মকর্তারা তাদের নিরাপদভাবে বের করে দিয়েছেন। না হলে পরবর্তীতে এই আশ্রয়কৃতরা কোথায় তা পরবর্তীতে জানানো হলো না কেন!

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম কলিম এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোঃ রহমতুল্লাহ, শাহজাহান মিয়া সম্রাট সহ প্রমুখ।

ভিওডি বাংলা/এম 


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
‘জুলাই সনদ’ নিজেদের মতো করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে সরকার
‘জুলাই সনদ’ নিজেদের মতো করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে সরকার
১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে এনসিপি
১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে এনসিপি
জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল মা : মির্জা ফখরুল
জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল মা : মির্জা ফখরুল