সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ভারতকে সতর্কবার্তা আলালের

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ভারতকে সতর্ক করে বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক হতে হবে জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে। তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ। দেশের সম্মান ও জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই অন্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব হবে।’
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মুক্তিযোদ্ধা দলের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আলাল বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অতিথিপরায়ণ। কেউ এ দেশে এলে তাকে বরণ করে নেওয়া হয়। তবে কেউ যদি দীর্ঘদিন থাকতে চায়, তাহলে তাকে বিদায় করার উপায়ও এ দেশের মানুষ জানে।
ভারতের উদ্দেশে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতা বাংলাদেশের মানুষ স্বীকার করে। তবে ভিয়েতনাম ও আফগানিস্তানের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও রাশিয়া টিকে থাকতে পারেনি। তাঁর ভাষ্য, ‘বাংলাদেশে ঢোকা অত্যন্ত সহজ, বাংলাদেশ থেকে বের হওয়ার চেয়ে কষ্টকর ।
সীমান্তে ‘পুশইন’ প্রসঙ্গে আলাল বলেন, এ বিষয়ে যদি এত আগ্রহ থাকে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠিয়ে দেওয়া যেতে পারে, কারণ তাঁর বাড়ি বরিশালে। তাঁকে সম্মানের সঙ্গে আতিথ্য দেওয়া হবে। ‘আমরা আপনাদের মতো আচরণ করি না।
তিনি অভিযোগ করেন, ভারতে ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে, যা সারা বিশ্বে নিন্দিত হচ্ছে। তিনি এ ধরনের তৎপরতা বন্ধের আহ্বান জানান।
আলাল বলেন, সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুলছে এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, তিনি যেন এ প্রচেষ্টাকে জোরদার করে দিল্লিকে বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত সহ সংগঠনটি বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
ভিওডি বাংলা/সবুজ/আ







