• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

লড়াই করেছি, প্রয়োজনে আরও লড়াই করব: আবদুস সালাম

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৫ জুন ২০২৬, ০১:৪২ পি.এম.
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। ছবি: ভিওডি বাংলা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, আমরা লড়াই করেছি, প্রয়োজনে আরও লড়াই করব। কিন্তু এই দেশের এক ইঞ্চি জমিও কেউ দখল করতে পারবে না। 

রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর শান্তিনগরে মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র অনেক হয়েছে এই দেশটাকে পিছিয়ে দেওয়ার জন্য। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, প্রতিদিন সীমান্তে পুশ-ইন করার জন্য পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র কীভাবে তাদেরকে এখানে বসিয়ে রাখছে।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আরে বাংলাদেশ কাপড় নাকি, যেখানে ঠেলে দিলেই ঢুকে যাবে? এখানে ঠেলে দিতে চান কেন?

তিনি আরও বলেন, কূটনৈতিকভাবে যদি কোনো বাংলাদেশি সেখানে থেকে থাকে, তাহলে কূটনৈতিকভাবে তাদের বাংলাদেশে পাঠান। অনেকেই তো আপনাদের কাছে আছে। আমরা তো চাই, তাদেরকে ফেরত পাঠান। কিন্তু অন্যদেরকে পুশ-ইন করতে চান কেন?

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশকে নত করা যাবে না। বাংলাদেশ অত সহজ না। যুদ্ধ করে আমরা দেশটা স্বাধীন করেছি। কাজেই আপনারা যদি মনে করেন, হুমকি-ধমকি দিলেই বাংলাদেশ কাবু হয়ে যাবে, তাহলে ভুল করবেন। বাংলাদেশ অত সহজে কাবু হবে না।

মাদক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আরেকটা কথা বলতে চাই, মাদক—এই মাদক সীমান্তের ওপার থেকেই আসে। কাজেই আমরা জানি এগুলো কোথা থেকে আসে।

তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে বলেন, আমার পুলিশ ভাইদেরও বলব, আপনারা দয়া করে আরও একটু সচেষ্ট হবেন।

রাজনৈতিক দল প্রসঙ্গে তিনি বলেন,  আমাদের দলের পক্ষ থেকে বলা আছে-যারা এই ব্যবসা করবে, যারা চাঁদাবাজি করবে, তারা কোনো দলের না। বিএনপি তাদের করে না। আমরা কোনো চাঁদাবাজ চাই না, আমরা কোনো দুর্নীতিবাজ চাই না, আমরা কোনো মাদক ব্যবসায়ী চাই না। এই ব্যাপারে বিএনপির পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স।

তিনি আরও বলেন, কাজেই বিএনপির নাম যদি কেউ বেচেও, তাকে আপনারা ছাড়বেন না। তাকে আইনের আওতায় নিয়ে যাবেন। আমরা দলের পক্ষ থেকে বলছি, কোনো হস্তক্ষেপ হবে না। যেই অপরাধী হবে, তাকেই আপনারা গ্রেপ্তার করবেন, জেলখানায় নিয়ে যাবেন।

তিনি বলেন, এই দেশটা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে যেতে পারে, আমাদের নেতা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অল্প সময়ে দেশের জন্য অনেক কিছু করেছেন। অনেকেই ভয় পায়—যদি পাঁচ বছর তারেক রহমান ক্ষমতায় থেকে জনগণের এত উপকার করেন, তাহলে আর তাদের কথা কেউ শুনবে না।

তিনি আরও বলেন, এই কারণে এখন তারা বিভিন্নভাবে বিভ্রান্ত করতে চায়, জনগণকে অন্যদিকে ডাইভার্ট করতে চায়। কিন্তু জনগণ সবসময় বিএনপির পক্ষে ছিল, এখনো বিএনপির পক্ষে আছে, ইনশাআল্লাহ আগামীতেও বিএনপির পক্ষে থাকবে।

শেষে তিনি বলেন, পাশাপাশি আমরা আমাদের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের জন্য দোয়া করব। আল্লাহ যে দায়িত্ব তাঁকে দিয়েছেন, এই দায়িত্ব পালন করার মতো শক্তি, সামর্থ্য, সাহস ও বুদ্ধিমত্তা যেন আল্লাহ তাঁকে দেন। যাতে এই দেশটা ঠিকমতো চলতে পারে, কোনো ষড়যন্ত্র যাতে না হয়।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
১১ প্রতিষ্ঠানকে অনুদান দিলে মিলবে কর রেয়াত সুবিধা
প্রজ্ঞাপন জারি ১১ প্রতিষ্ঠানকে অনুদান দিলে মিলবে কর রেয়াত সুবিধা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে যানজট নিরসনে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে যানজট নিরসনে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
দুর্নীতিতে ডুবেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর , শিক্ষক বদলি করবে মাঠপ্রশাসন
দুর্নীতিতে ডুবেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর , শিক্ষক বদলি করবে মাঠপ্রশাসন