ইরানের বন্দরে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের

চলমান যুদ্ধ অবসানের চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের বন্দরগুলোতে আরোপিত অবরোধ তুলে নিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। একই সঙ্গে এক ডজনেরও বেশি জাহাজকে বন্দরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
হোয়াইট হাউসের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন আগের তুলনায় বেড়েছে। তাঁর দাবি অনুযায়ী, বুধবার রাতেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে ১ কোটি ২৫ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল পরিবাহিত হয়েছে।
ভ্যান্স বলেন, চুক্তির শর্ত নিয়ে সমালোচনা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক দিক থেকে দায়িত্ব পালন করছে। তিনি এটিকে চুক্তির তাৎক্ষণিক একটি ইতিবাচক ফল হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জানান, ইরানের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত কমানো এবং হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক তেল চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা চলবে। আলোচনার জন্য তার সুইজারল্যান্ড সফরের পরিকল্পনা রয়েছে, তবে সময় এখনো নির্ধারিত হয়নি।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরগুলোতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। তবে হরমুজ প্রণালি এখনও ইরানি সামরিক বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে এবং এই পথে চলাচলের জন্য সমন্বয় প্রয়োজন।
সামুদ্রিক তথ্য সংস্থা লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স জানিয়েছে, চুক্তির পর বড় জাহাজ কোম্পানিগুলো আবারও হরমুজ প্রণালি ব্যবহার শুরু করেছে। এর মধ্যে গ্রিমালডি গ্রুপ, কসকো, নটসেন ও এনওয়াইকে-এর মতো শীর্ষ কোম্পানির জাহাজ রয়েছে।
চুক্তির আওতায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ৬০ দিনের আলোচনার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রয়োজনে আবারও সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা
ভিওডি বাংলা/আ







