বগুড়ায় পথকুকুরকে কুপিয়ে জখম, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে গ্রেপ্তার

বগুড়া শহরের কানছগাড়ী এলাকায় একটি পথকুকুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আর সেই ভিডিও নজরে আসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। তিনি কুকুরের শরীরের ক্ষত দেখে ব্যথিত হন। নির্দেশ দেন ব্যবস্থা গ্রহণের। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার মো. স্বপন নগরীর রহমাননগর এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় ফার্নিচার ব্যবসায়ী। বগুড়ার বকশিবাজার এলাকা থেকে সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রী কুকুরের ক্ষত দেখে খুবই ব্যথিত হয়েছেন। তিনি ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছেন। একটি মামলা দায়ের হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রাণী নির্যাতনের অভিযোগে বগুড়া সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন ‘বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’ (বাওয়া) বগুড়া শাখার আহ্বায়ক সদস্য মো. এমরান হোসেন।
সোমবার (২৯ জুন) দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে এমরান হোসেন খবর পান যে, কানছগাড়ী এলাকায় ইন্ডিপেন্ডেন্ট হাসপাতালের পশ্চিম পাশের একটি গলিতে একটি সাদা-কালো রঙের কুকুর গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছে। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় দুই যুবক এসএম সাদিকুল ইসলাম ও রাফিদ ইয়াসাদের সহযোগিতায় আহত কুকুরটিকে উদ্ধার করে জলেশ্বরীতলার ডা. আকাশ পেটস কনসাল্টেন্সিতে নিয়ে যান।
পরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, বগুড়া সদরকে বিষয়টি জানানো হলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ভেটেরিনারি সার্জন, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সমন্বয়ে কুকুরটির চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পরিচর্যায় কুকুরটির শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, চিকিৎসা চলাকালে অভিযুক্ত মো. স্বপন স্থানীয় এক সাক্ষীর বাড়িতে গিয়ে নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, তিনিই ধারালো কোনো বস্তু দিয়ে কুকুরটিকে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন।
ভিওডি বাংলা/এএইচ/এমএস








মন্তব্য