যাত্রাবাড়ীতে ছয় যুবক গ্রেপ্তার
আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ইসলামী আন্দোলনের

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে ছয় যুবকের গ্রেপ্তারের ঘটনায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির নেতারা বলছেন জুলাই আন্দোলনকে ব্যর্থ করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নতুন করে জঙ্গী নাটক উপস্থাপন করেছে।
অপর দিকে পুলিশ বলছে- গণতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক নেতারা বিভিন্ন মন্তব্য করতে পারে।
গত রোববার রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়া বালুর মাঠ এলাকা থেকে ছয়জন যুবককে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, উগ্রবাদী সংগঠনের কয়েকজন ব্যক্তি সেখানে শারীরিক কসরতের জন্য সমবেত হয়। পরে পুলিশের অভিযানে পালানোর চেষ্টা করলে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার এক সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ইসলামমনা কিছু যুবক শারীরিক কসরত করছিল, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সেই শারীরিক কসরতকে জঙ্গী প্রশিক্ষণ হিসেবে তুলে ধরেছেন। যা জুলাইকে ব্যর্থ করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নতুন করে জঙ্গী নাটক।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ৬ জন ঘটনাস্থলে সমবেত হওয়ার সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, এরা উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। তবে বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরে এদের আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
পুলিশ আরও জানায়, ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’ নামে নতুন উগ্রবাদী সংগঠনের পক্ষে তারা শারীরিক কসরত প্রশিক্ষণ শিখছিল।
ইসলামী আন্দোলনের মহানগর সভাপতি আহমদ আব্দুল কাইয়ুম বলেন, জুলাই আন্দোলনে ইসলামী ভাবধারায় অনুপ্রাণিত মানুষের অংশগ্রহণের কারণেই আন্দোলন সফলতা পেয়েছে। দেশে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম অবনতি হয়েছে এবং মানুষের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। যা দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে|
ওয়ারি জোনের উপ-পুলিশ কমিশনারের সাথে যোগাযোগ করলে ভিওডি বাংলাকে বলেন, আইন মেনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এরপর তাদের কাউন্টার টেরিরিজম এ্যান্ড ট্র্যান্সন্যাশনাল ক্রাইমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনের সহকারী পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ভিওডি বাংলাকে বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক নেতারা বিভিন্ন মন্তব্য করতে পারে। তাই এ বিষয়ে কোন মন্তব্য নেই।
ভিওডি বাংলা/বিন্দু








মন্তব্য