ঢাকায় টেকসই ভবনের জাতীয় মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ জাতিসংঘের

বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু-সহনশীল ভবন নির্মাণে জাতীয় মূল্যায়ন ও লেবেলিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
এ লক্ষ্যে সোমবার (২০ জুলাই) রেনেসাঁ ঢাকা গুলশান হোটেলে এইচবিআরআই-ডিইএসএইচ (এইচবিআরআই-ডিইএসএইচ) বাস্তবায়ন নিয়ে একটি অংশীজন পরামর্শ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এইচবিআরআই) জাতিসংঘের ইউএন-হ্যাবিট্যাট, ইউএন এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনইপি) ও ইউএনওপিএসের সহযোগিতায় কর্মশালার আয়োজন করে। জার্মান সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কর্মশালায় এইচবিআরআই-ডিইএসএইচ এবং এর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ডিইএসএইচবোর্ড বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এর মাধ্যমে দেশে টেকসই, সাশ্রয়ী ও জলবায়ু-সহনশীল ভবনের জন্য একটি জাতীয় মূল্যায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মোছা. ফেরদৌসী বেগম, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং এইচবিআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. গিয়াসউদ্দিন হায়ারসহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্থপতি, প্রকৌশলী, রিয়েল এস্টেট খাত এবং উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
আলোচনায় নীতিগত সহায়তা, অর্থায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। কর্মশালায় পাওয়া সুপারিশের ভিত্তিতে এইচবিআরআই-ডিইএসএইচ বাস্তবায়নের নির্দেশিকা প্রণয়ন এবং ধাপে ধাপে জাতীয় পর্যায়ে এটি চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
কর্মশালায় জানানো হয়, ভবন ও নির্মাণ খাত বিশ্বব্যাপী জ্বালানিসংক্রান্ত কার্বন নিঃসরণের প্রায় ৩৭ শতাংশের জন্য দায়ী। একই সঙ্গে দ্রুত নগরায়ণের ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ৫ লাখ নতুন আবাসন ইউনিটের প্রয়োজন হবে।
বক্তারা বলেন, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের জাতীয়ভাবে নির্ধারিত জলবায়ু অঙ্গীকার (এনডিসি) বাস্তবায়ন এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে সহায়ক হবে। পাশাপাশি স্বল্প-কার্বন ও জলবায়ু-সহনশীল নির্মাণব্যবস্থা গড়ে তুলতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ভিওডি বাংলা/বিন্দু








মন্তব্য