• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৪৬ বিলিয়ন ডলার জামায়াতের নাম থেকে ‘ইসলামী’ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবি যুবদল সভাপতির সড়ক নিরাপত্তায় জবাবদিহিতা ও সমন্বিত বাস্তবায়নের আহ্বান বাংলাদেশের আরও ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালু, নিয়োগ পাবেন ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ‘তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে’ ধানমন্ডি রবীন্দ্র সরোবরে ইজারাবহির্ভূত দোকান উচ্ছেদ ধামরাইয়ে ৪ ভুয়া ডিবি গ্রেপ্তার স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য দূর করতে সরকার বদ্ধপরিকর: আইসিটি মন্ত্রী এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা

সৌদির পারমাণবিক কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের সবুজ সংকেত

  নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ২২ জুলাই ২০২৬, ১১:২৭ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবকে বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তোলার সুযোগ দিতে বড় ধরনের একটি চুক্তি ঘোষণা করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। 

বুধবার (২২ জুলাই) ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছে বিবিসির সহযোগী সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ।

প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের মাটিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও পরিচালনায় অংশ নেবে। পাশাপাশি যৌথ সমীক্ষার পর দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের নির্মিত একটি স্থাপনায় নিজস্ব ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের (এনরিচমেন্ট) সুযোগ দেওয়া হতে পারে। ওই ইউরেনিয়াম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হলেও একই প্রযুক্তি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতেও কাজে লাগানো সম্ভব।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ৩০ বছর মেয়াদি এ চুক্তির আর্থিক মূল্য কয়েক দশমিক বিলিয়ন ডলার হতে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সৌদি আরবের পারমাণবিক অবকাঠামো নির্মাণে অংশ নেবে।

তবে সম্ভাব্য এই চুক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসরাইলের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা ও পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ। তাদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে সৌদি আরব ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা অর্জন করলে তা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথও খুলে দিতে পারে।

পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থাও চুক্তিটি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, আরও একটি দেশকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা দেওয়া হলে বিশ্বে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

এর আগে ২০০৯ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গে করা যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক চুক্তিতে দেশটিকে নিজস্ব ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সে কারণে সৌদি আরবের সঙ্গে নতুন চুক্তিটি আগের চুক্তির তুলনায় ভিন্ন এবং অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

চুক্তিটি এমন এক সময়ে আসছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে তেহরানের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। যদিও ইরান বরাবরই বলে আসছে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করেনি।

২০১৮ সালে সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বলেছিলেন, সৌদি আরব পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পরিকল্পনা করছে না। তবে ইরান যদি পারমাণবিক বোমা তৈরি করে, তাহলে সৌদি আরবও "যত দ্রুত সম্ভব" একই পথে হাঁটবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, চুক্তিটি ইতোমধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদন পেয়েছে। এখন এটি মার্কিন কংগ্রেসে পাঠানো হবে। সেখানে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের কয়েকজন আইনপ্রণেতা চুক্তিটির বিরোধিতা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, সৌদি আরবের সঙ্গে এই পারমাণবিক চুক্তিকে ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্তের সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি। যদিও সৌদি-ইসরাইল সম্পর্ক স্বাভাবিক করা দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রশাসনের অন্যতম কূটনৈতিক লক্ষ্য।

ভিওডি বাংলা/বিন্দু


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
ফ্রান্সে ১৫ বছরের নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করে আইন পাস
দিল্লিতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের অভিযান ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন। ছবি: সংগৃহীত
মোদির সরকার ঘিরে নতুন সংকট, আশার আলো বিরোধীদের
ছবি: সংগৃহীত
সৌদির সঙ্গে ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তিতে অনুমোদন ট্রাম্পের