বিএনপির সভায় হামলার মামলায় আ.লীগের ৫ নেতাকর্মী কারাগারে

দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর আদালতে আত্মসমর্পণ করেও জামিন পাননি পটুয়াখালীর দশমিনার আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতাকর্মী। বিএনপির এক সভায় ককটেল বিস্ফোরণ, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৮ জুলাই) সকালে পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন অভিযুক্ত পাঁচজন। পরে তারা জামিনের আবেদন করলে বিচারক আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, কারাগারে পাঠানো পাঁচ আসামি হলেন গৌতম রায়, কাজী আজাদ, শাহজাহান, জাকির হোসেন ভূঁইয়া (ভুট্টো) এবং রমিজ মোল্লা। তারা সবাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবং দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৬ মার্চ দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়ন বিএনপির একটি সভা চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণ, মঞ্চ ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সবুজ ঢালি বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলা হওয়ার পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে ছিলেন। পরে তারা উচ্চ আদালত থেকে দুই মাসের আগাম জামিন লাভ করেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হলে বুধবার তারা পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে আবারও জামিনের আবেদন করেন। তবে আদালত তাদের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, "বেতাগী সানকিপুরের একটি মামলায় অভিযুক্ত পাঁচ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের আদেশের কপি হাতে পাওয়ার প্রক্রিয়া চলমান।"
ভিওডি বাংলা/এমএস








মন্তব্য