শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধা জানালেন নৌবাহিনী প্রধান মিসবাহ উল আজীম
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান। পরে সেখানে সংরক্ষিত পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন।
এরপর নৌবাহিনী প্রধান নৌ সদর দপ্তরে পৌঁছালে প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসাররা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। পরে নৌবাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি গার্ড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। এ সময় নৌ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।
নৌবাহিনী সূত্র জানায়, দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এবং সমুদ্রসম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন নতুন নৌবাহিনী প্রধান। পাশাপাশি দেশের বিশাল সমুদ্রসীমায় কার্যকর উপস্থিতি বজায় রাখতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে আধুনিক ও সক্ষম ব্লু ওয়াটার নেভি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।
এ লক্ষ্যে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ, ফ্রিগেট, সাবমেরিন, উন্নত সোনার ও রাডার প্রযুক্তিসহ অত্যাধুনিক সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে দেশের সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব, নৌ নিরাপত্তা এবং সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নৌবাহিনী প্রধান দায়িত্ব পালনে সরকারের দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে বাহিনীর আধুনিকায়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
উল্লেখ্য, ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম গত ২৩ জুলাই ২০২৬ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই তিনি শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং নৌ সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা গ্রহণের মধ্য দিয়ে নতুন দায়িত্বে তাঁর কার্যক্রম শুরু করেন।
ভিওডি বাংলা/জা









মন্তব্য