মিরপুর ১০ মেট্রোরেল এলাকায় উচ্ছেদ, সরানো হলো অবৈধ দোকান

মিরপুর ১০ মেট্রোরেল স্টেশনসংলগ্ন ফুটপাত ও প্রবেশপথ দখলমুক্ত করতে পরিচালিত যৌথ উচ্ছেদ অভিযানে অবৈধ দোকান ও হকারদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযানে নিরাপত্তা নিশ্চিত ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করেছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে রাজধানীর মিরপুর ১০ মেট্রোরেল স্টেশন এলাকায় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নির্দেশনায় তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান বাস্তবায়নে আনসার ও ভিডিপি সদর দপ্তর থেকে বিভিন্ন পদমর্যাদার ৩০ জন আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য এবং তুরাগ থানার অধীন ডিএমটিসিএল আনসার গার্ডের ৩০ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।
এ সময় বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাব, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং ডিএমটিসিএলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও অভিযানে অংশ নেন। পুরো অভিযানে আনসার সদস্যরা নিরাপত্তা বলয় তৈরি, ভিড় নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের কার্যক্রম নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনায় সহযোগিতা করেন।
অভিযান চলাকালে মিরপুর ১০ মেট্রোরেল স্টেশনসংলগ্ন ফুটপথে গড়ে ওঠা সব অবৈধ দোকান ও হকার উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি উচ্ছেদ হওয়া দোকানগুলোর বিভিন্ন মালামাল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন জব্দ করে।
এ অভিযানের ফলে স্টেশন এলাকার ফুটপাত ও প্রবেশপথ দখলমুক্ত হওয়ায় প্রতিদিনের হাজারো মেট্রোরেল যাত্রী ও পথচারীর নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং নির্বিঘ্ন চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত হয়েছে। একই সঙ্গে এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা, জনদুর্ভোগ কমানো এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
অভিযান চলাকালে কয়েকজন ব্যক্তি কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে বাংলাদেশ পুলিশ তিনজনকে আটক করে। তবে আনসার সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত তৎপরতায় পুরো অভিযান শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এ সময় কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল।
অভিযানে আনসার ব্যাটালিয়ন ও অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন তুরাগ থানার থানা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা (টিএভিডিও) মো. শাহিন মিয়া।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে বাহিনী নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। নিরাপদ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও জনবান্ধব নগর পরিবেশ গড়ে তুলতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ভিওডি বাংলা/এমএস








মন্তব্য