শেষ হলো জনপ্রিয় সংগীতভিত্তিক রিয়েলিটি শো ‘ইন্ডিয়ান আইডল ১৬’। এবারের আসরে সেরার মুকুট জিতেছেন ভারতের ওড়িশার তরুণ কণ্ঠশিল্পী জ্যোতির্ময়ী নায়েক। এর মধ্য দিয়ে ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর ইতিহাসে প্রথম ওড়িশার প্রতিযোগী হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন তিনি।
গ্র্যান্ড ফিনালেতে জ্যোতির্ময়ীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বিজয়ীর ট্রফি। পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন ২০ লাখ রুপি। এবারের প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন জবলপুরের তানিস্ক শুক্লা। ফাইনালে আরও ছিলেন- অংশিকা চোনকার, মনরাজ বীর সিং, মাইসকম্মে বসু ও সুহেল সুফি।
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আবেগাপ্লুত জ্যোতির্ময়ী বলেন, প্রায় এক বছর আগে স্বপ্ন নিয়ে মুম্বাইয়ে এসেছিলেন তিনি। সেই স্বপ্নই এখন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। তবে পুরো প্রতিযোগিতায় তিনি কখনোই পুরস্কারের অর্থের দিকে মনোযোগ দেননি। তাঁর লক্ষ্য ছিল নিজের সেরাটা দেওয়া এবং বিচারকদের কাছ থেকে ইতিবাচক মন্তব্য পাওয়া। তাই পুরস্কারের অর্থ কীভাবে ব্যবহার করবেন, সেটিও এখনো ঠিক করেননি তিনি।
‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর অভিজ্ঞতা নিয়ে জ্যোতির্ময়ী জানান, কিংবদন্তি শিল্পীদের জনপ্রিয় গান পরিবেশন করার সুযোগ পাওয়া ছিল তাঁর জন্য সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলোর একটি। অন্যদিকে, এলিমিনেশন রাউন্ডে নিচের সারিতে থাকা ছিল তাঁর জন্য সবচেয়ে কঠিন সময়। তবে দর্শকদের ভালোবাসা, ভোট এবং নিজের কঠোর পরিশ্রম তাঁকে শেষ পর্যন্ত বিজয়ের মঞ্চে পৌঁছে দিয়েছে।
ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল জ্যোতির্ময়ীর। ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এ অংশ নেওয়ার আগে ভক্তিমূলক ও আঞ্চলিক গান গেয়ে পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। প্রশিক্ষিত কণ্ঠশিল্পী হওয়ার পাশাপাশি মিউজিক থেরাপিস্ট হিসেবেও কাজ করেন এই তরুণ শিল্পী।
নিজের এই সাফল্যের কৃতিত্ব বাবা-মাকে দিয়েছেন জ্যোতির্ময়ী। তাঁর ভাষ্য, পরিবার সবসময় স্বপ্ন পূরণের পথে তাঁকে উৎসাহ দিয়েছে। কখনোই নিরুৎসাহিত করেনি। পরিবারের সেই ভালোবাসা ও সমর্থনই তাঁকে আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
ভিওডি বাংলা/এফএ









মন্তব্য