ডিমলায় মসজিদে মোয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের কাঁকড়ার বাজার এলাকার একটি মসজিদ থেকে এক মোয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় ওই মরদেহ দেখে বাড়ি ফেরার পর অসুস্থ হয়ে স্থানীয় আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
নিহত আব্দুল মালেক (২১) উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের কাঁকড়ার বাজার এলাকার নুরুল হকের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি মসজিদে মোয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন এবং প্রয়োজনে ইমামতিও করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার এশার নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে একে মসজিদ ত্যাগ করেন। ধারণা করা হচ্ছে, সবার শেষে আব্দুল মালেক মসজিদে অবস্থান করছিলেন। পরে রাত প্রায় ১টার দিকে এক ব্যক্তি মসজিদে গিয়ে তাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখতে পান। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং পুলিশকে অবহিত করেন।
এদিকে, আব্দুল মালেকের মরদেহ দেখার পর বাড়ি ফিরে স্থানীয় এক ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের দাবি, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার জানান, "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।"
ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান জানান, "রাত প্রায় ২টার দিকে তিনি ঘটনাটি জানতে পারেন। আব্দুল মালেক ওই মসজিদের মোয়াজ্জিন ছিলেন এবং প্রয়োজনে ইমামতির দায়িত্বও পালন করতেন। সকালে তিনি জানতে পারেন, মরদেহ দেখে বাড়ি ফেরার পর স্থানীয় এক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।"
ভিওডি বাংলা/মো. মাইনুল হক/জা








মন্তব্য