শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও আল্টিমেটামের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি অব্যাহত রেখেছেন।
সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রীকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে পদত্যাগ করতে এবং তার ‘অসংগতিপূর্ণ’ বক্তব্যের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে আল্টিমেটাম দিয়েছেন।
মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর সাইন্সল্যাব এলাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে সিটি কলেজের পরীক্ষার্থী মো. মিরাজ হোসেন এ ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, "আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে এবং তার অসংগতিপূর্ণ কথাবার্তার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।"
মিরাজ হোসেন আরও বলেন, "গতকাল (১৩ জুলাই) অস্বস্তিকর পরিবেশে যারা পরীক্ষা দিয়েছে এবং যারা পরীক্ষা দিতে পারেনি, তাদের কথা বিবেচনা করে ওই পরীক্ষাটি পুনরায় নিতে হবে। একই সঙ্গে আগামীকালের পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করতে হবে। প্রশ্নপত্রের মানদণ্ডও অবশ্যই শিক্ষার্থীবান্ধব হতে হবে।"
এর আগে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে রাজধানীর সাইন্সল্যাব এলাকায় জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। পরে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে তারা সড়কে নেমে ধানমন্ডি থেকে নিউমার্কেটমুখী সড়ক অবরোধ করেন। একপর্যায়ে তারা দীর্ঘ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতেও অবস্থান নেন।
বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘তুমি কে, আমি কে, ফার্মের মুরগি’, ‘কে বলেছে, কে বলেছে, শিক্ষামন্ত্রী’, ‘দফা এক, দাবি এক, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’ এবং ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম, সংগ্রাম’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের হাতে পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়।
আন্দোলনে ঢাকা সিটি কলেজ, ঢাকা আইডিয়াল কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ, লালমাটিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বিএএফ শাহীন কলেজসহ ১২ থেকে ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
ভিওডি বাংলা/এমএস








মন্তব্য