• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে কারা? আলোচনায় একাধিক নাম

আহসান হাবিব    ১০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৯ পি.এম.
ছবি: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) দিয়ে তৈরি
ছবি: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) দিয়ে তৈরি

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘিরে সংগঠনের অন্দরমহলে জোর আলোচনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে দলীয় পরিসর- সব জায়গাতেই এখন একটাই প্রশ্ন, কার হাতে যাচ্ছে ছাত্রদলের নেতৃত্ব?

দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় গত বছরের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। বিএনপির ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত সংগঠনটির বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির দুই বছরের মেয়াদ গত ১ মার্চ শেষ হয়েছে। ২০২৪ সালের ১ মার্চ গঠিত এ কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন।

মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে সংগঠনের ভেতরে-বাইরে আলোচনা আরও বেড়েছে। দলীয় সূত্রের দাবি, নতুন নেতৃত্ব চূড়ান্ত করতে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কয়েকজন নেতার নাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রয়েছে। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় এবং দীর্ঘদিন রাজপথে ভূমিকা রাখা নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হচ্ছে।

পদপ্রত্যাশী নেতাদের বক্তব্যও প্রায় একই সুরে। তাঁদের মতে, অতীতে আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত নেতাদের দিয়ে কমিটি গঠন করা হলে তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও সন্তুষ্ট হবেন।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে যাঁদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাঁরা হলেন— আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া, ইজ্জাজুল কবির রুয়েল, আমান উল্লাহ আমান, খোরশেদ আলম সোহেল, সাফি ইসলাম, ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, মমিনুল ইসলাম জিসান, শরীফ প্রধান শুভ, মোস্তাফিজুর রহমান শুভ, কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত এবং গণেশ চন্দ্র রায় সাহস।

বর্তমানে কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া। অর্থনীতির ছাত্র ইয়াহইয়া এর আগে কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীদের নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি।

২০২২ সালের ২৪ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হন ইয়াহইয়া। ওই হামলায় তাঁর মাথায় ১৭টি সেলাই লাগে এবং পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়। ২০২৩ সালে বিএনপির ঘোষিত অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গাবতলী থেকে গ্রেপ্তার হন এবং দীর্ঘদিন কারাবরণ করেন।

২৮ অক্টোবরের পর বিএনপির হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে ছাত্রদলের মূল সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে মহানগর উত্তর ও পশ্চিম ছাত্রদল অবরোধ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে শাহবাগ, বাংলামোটর, সায়েন্সল্যাব, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় নেতাকর্মীদের নিয়ে আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইতিবাচক ছাত্ররাজনীতি বিষয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করেন।

আলোচনায় থাকা আরেক নাম ইজ্জাজুল কবির রুয়েল। বর্তমানে কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি। বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থী রুয়েল এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামের পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিত রুয়েল ২৮ অক্টোবর-পরবর্তী আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানেও তাঁর ভূমিকা ছিল।

বর্তমানে যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদায় প্রচার সম্পাদক শরীফ প্রধান শুভও রয়েছেন আলোচনায়। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র শরীফ এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন।

২০১১ সালের ২৪ মার্চ রাতে ছাত্রলীগের গোলাম রব্বানীর নেতৃত্বে হল থেকে তাঁকে মারধর করে বের করে দেওয়া হয়। এতে তাঁর একটি হাত ভেঙে যায়। একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ থেকে গ্রেপ্তার হয়ে ছয় মাস কারাগারে ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম দিন থেকেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানও সম্ভাব্য নেতৃত্বের আলোচনায় রয়েছেন। সংগীত বিভাগের ছাত্র আমান এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। ২৮ অক্টোবর-পরবর্তী আন্দোলনে গ্রেপ্তার হয়ে দুই মাস কারাগারে ছিলেন। রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হন। ৫ আগস্টের পর সংগঠনকে সুশৃঙ্খল করা এবং ইতিবাচক রাজনীতি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন।

এক নম্বর যুগ্ম সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসানও সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় রয়েছেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র জিসান এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের কাছে পরিচিত মুখ তিনি। আওয়ামী লীগ আমলে একাধিকবার মামলা ও হামলার শিকার হন এবং একাধিকবার কারাবরণ করেন। ২০২৩ সালে ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালও আলোচনায় থাকা নেতাদের একজন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ছাত্র আউয়াল এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। তিনি বিগত আন্দোলন-সংগ্রামের পরিচিত মুখ। ২৮ অক্টোবরের পর হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে প্রায় প্রতিদিন ঢাকার রাজপথে মিছিলে অংশ নেন। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহসের নামও আলোচনায় রয়েছে। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

এছাড়াও  ঢাকা কলেজের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বোরহান উদ্দিন ইশরাক।  তিনি সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অধিকারভিত্তিক আন্দোলন ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ও শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে অনুষ্ঠিত আন্দোলনে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরবর্তীতে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে পুনরায় সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। 

নতুন কমিটি নিয়ে পদপ্রত্যাশী নেতাদের বক্তব্যেও ফুটে উঠেছে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থার বিষয়টি।

ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে রাজপথে অগ্রভাগে থেকে ভূমিকা রেখেছে। এখন দেশ গঠনের ক্ষেত্রেও সংগঠন ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চায়।

‘নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান অতীতের ধারাবাহিকতার মতো রাজপথে পরীক্ষিত, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নেতাদের মূল্যায়ন করেই নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।’”

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান বলেন, “সংগঠনের নেতাকর্মীরা নতুন কমিটির জন্য, নতুন জুলাইয়ে, নতুন সরকারের জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। নতুন কমিটির নেতৃত্বে দেশ গড়ায় অংশ নেবে ছাত্রদল।

‘সংগঠন তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত আমার একটি নিবিড় যোগাযোগ ও সম্পর্ক রয়েছে। আমার সেই সহযোদ্ধা-সহকর্মীরা আমাকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান। আমি সংগঠনের তৃণমূলে যারা রয়েছে এবং দলের সর্বোচ্চ সাংগঠনিক অভিভাবক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ওপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস রাখি। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেই আলোকে কাজ করতে আমি সদা প্রস্তুত।’”

সহসভাপতি ইজ্জাজুল কবির রুয়েল বলেন, “নতুন কমিটি গঠনের দামামা বেজে গেছে। যেকোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা হতে পারে। তবে বর্তমান কমিটির কর্মসূচি আগামী ৩ তারিখ পর্যন্ত রয়েছে। সে কারণে ওই সময়ের পরও নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।

‘নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। হাইকমান্ড যদি মনে করে ‘সুপার টু’ হবে, তাহলে সেটাই হবে। আবার যদি ‘সুপার ফাইভ’ উপযুক্ত মনে করে, তাহলে সেটিও হতে পারে। এ নিয়ে আলাদা কোনো বিতর্কের সুযোগ নেই। আমরা হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের প্রতিই আস্থাশীল।’”

সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল বলেন, “কমিটি গঠন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আমাদের বর্তমান কমিটির দুই বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তাই স্বাভাবিক নিয়মেই নতুন কমিটি গঠন করা হবে। ছাত্রদল সবসময়ই একটি গতিশীল সংগঠন।

‘নতুন নেতৃত্বের বিষয়ে আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানই সিদ্ধান্ত নেবেন। বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতা, সংগঠনের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি এবং সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যাদের তিনি যোগ্য মনে করবেন, তাদেরই নেতৃত্বে নিয়ে আসবেন।

‘আমাদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা রয়েছে, কিন্তু কোনো ধরনের প্রতিহিংসা নেই। আমরা সবাই চাই, আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ‘কোয়ালিটি ম্যাটার্স, কোয়ান্টিটি নয়’—এই দর্শনকে ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ছাত্রদল একটি গুণগত, আদর্শভিত্তিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠুক।

‘‘সুপার ফাইভ’ বা ‘সুপার টু’—এ ধরনের বিষয়ও সম্পূর্ণভাবে সাংগঠনিক অভিভাবকের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। ‘সুপার ফাইভ’ এখন একটি প্রচলিত টার্ম হয়ে গেছে। আগের কমিটির শুরুতে সাত সদস্যের ‘সুপার সেভেন’ ঘোষণা করা হয়েছিল, পরে তা ২৬১ সদস্যে সম্প্রসারণ করা হয়। এবার নেতৃত্বে দুইজন, পাঁচজন বা অন্য যে সংখ্যাই থাকুক না কেন, সেটি নির্ধারণ করবেন তারেক রহমান। তিনি যাদের সংগঠনের জন্য সবচেয়ে যোগ্য মনে করবেন, তাদেরই দায়িত্ব দেবেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব নেতাকর্মী তাঁর সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ আস্থাশীল।’

ভিওডি বাংলা/এএইচ/এমএস 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন
মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে: এমপি মিলন
পাবনার চাটমোহরে ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখছেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। ছবি: সংগৃহীত
আ'লীগের দাফন দিল্লিতেই হয়েছে: সারজিস আলম
ছবি: সংগৃহীত
ইরানে নিরাপদে আছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ফিরছেন আজ