• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
অবৈধ দখল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডিএসসিসির কঠোর অভিযান বিএনপিকর্মীকে ‘খেয়ে’ ফেলার হুমকি দিলেন এমপি হানজালা বন্ধ ও অলাভজনক কারখানায় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক আদালতে তথ্য সংগ্রহে পুলিশের বাধা, আহত ২ সাংবাদিক টেক্সটাইলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিলে যোগদান জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব সদস্য হত্যা, পলাতক আসামি গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে শিশুদের ‘ভোঁ দৌড়’, মাঠজুড়ে উচ্ছ্বাস ভার্সাই প্রাসাদে ট্রাম্পের মধ্যরাতের নাটক

গণমাধ্যম এখনো পুরোপুরি মুক্ত নয়: তারেক রহমান

   ১৬ জুন ২০২৫, ১২:০৮ পি.এম.
সংগৃহিত ছবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক 
৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর গণমাধ্যম কিছুটা স্বাধীনতা ভোগ করলেও এখনো ফ্যাসিবাদ শক্তির হাত থেকে গণমাধ্যম পুরোপুরি মুক্ত নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

 সোমবার(১৬ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো দিবস। এদিনে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী সব দল বাতিল করে চরম কর্তৃত্ববাদী একদলীয় বাকশাল কায়েম করে তাদের অনুগত ৪টি সংবাদপত্র রেখে গোটা জাতিকে নির্বাক করে দিয়েছিলো। ফলে বিভিন্ন সংবাদপত্রে কর্মরত অসংখ্য সংবাদ কর্মী বেকার হয়ে পড়েছিলো। তাদের রুজি-রোজগার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ চরম নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দেয়া হয়। 

তিনি বলেন, আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল বাংলাদেশের ভৌগলিক স্বাধীনতা অর্জন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। চিরায়ত গণতন্ত্রে মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত হয় এবং যার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা। সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ থাকায় রাষ্ট্র ও সমাজ জবাবদিহিতার আওতায় আসে এবং দেশের সরকার গঠনে নাগরিক ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে। কিন্তু স্বাধীনতাত্তোর ক্ষমতাসীনরা স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথচলাকে স্তব্ধ করে দিয়ে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা কায়েম করে। 

তারেক রহমান বলেন, পরবর্তীকালে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশের কাঙ্খিত বহুদলীয় গণতন্ত্র পুন:প্রবর্তন করেন। বাকশাল সরকারের সকল প্রকার অগণতান্ত্রিক কালাকানুন বাতিল করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুন:প্রতিষ্ঠিত করেন।সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ মূলত চিন্তা ও বিবেককে বন্দি রাখা। শেখ মুজিবুর রহমানের মতো তার মেয়ে শেখ হাসিনাও একই পথ ধরে তাদের প্রকৃত দর্শন একদলীয় ব্যবস্থার পুন:প্রবর্তন করেছিল নতুন আঙ্গিকে। নানা কালাকানুন প্রণয়ন করে সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের ওপর অব্যাহত জুলুম চালিয়েছে তারা। বাংলাদেশে গণমাধ্যমের  স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। সত্য উচ্চারণ করলেই নেমে আসত নির্যাতনের খড়গ। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম কর্মীসহ সকল পর্যায়ের মানুষকে সার্বক্ষণিক শংকিত থাকতে হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার সিকিউরিটি এ্যাক্টের মতো একের পর এক ‘ড্রাকোনিয়ান আইন’ প্রণয়ন করে সংবাদপত্র ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ভয়াল দূর্গে বন্দি করা হয়েছিল। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বহুদলীয় গণতন্ত্রের মৌলিক উপাদান। গণতন্ত্রের নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব দিতে হলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।  

ভিওডি বাংলা/এম 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ঘিরে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে: রিজভী
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ঘিরে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে: রিজভী
জবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খেলা দেখলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
জবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খেলা দেখলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
গণতন্ত্র হারানোর শঙ্কা, ফ্যাসিবাদের শিকড় নিয়ে সতর্ক করলেন রিজভী
গণতন্ত্র হারানোর শঙ্কা, ফ্যাসিবাদের শিকড় নিয়ে সতর্ক করলেন রিজভী