• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

বিশ্বমঞ্চে কূটনৈতিক দাপট দেখালেন শি জিনপিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১:৫৬ পি.এম.
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি ভ্লাদিমির পুতিন ও কিম জং উনকে পাশে নিয়ে রাজধানী বেইজিংয়ে সামরিক কুচকাওয়াজে হাজির হন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বিশ্লেষকদের মতে, টানা কূটনৈতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি দেখিয়ে দিচ্ছেন দেশে ও বিশ্বমঞ্চে এখনো তিনিই ‘একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণে’। 

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, সাম্প্রতিক বৈঠকগুলো উন্নয়নশীল দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব জোরদার করেছে এবং শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বেইজিং।

বার্তাসংস্থাটি বলছে, ২০১৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান উপলক্ষে আয়োজিত প্রথম সামরিক কুচকাওয়াজে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তার দুই পূর্বসূরিকে পাশে বসিয়ে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতার বার্তা দিয়েছিলেন।

শি জিনপিং এবার উপস্থিত হয়েছিলেন ধূসর মাও স্যুট পরে— যা তার পাকা চুলের সঙ্গে মিলিয়ে এক প্রবীণ রাষ্ট্রনায়কের ইমেজ তৈরি করে। পাশে থাকা নেতাদের কালো স্যুট কিংবা এক দশক আগের তার নিজের কালো পোশাকের সঙ্গে এর ছিল তীব্র বৈপরীত্য।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বয়স এখন ৭২ বছর। তার এই বয়স ও উত্তরসূরি প্রসঙ্গ নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, টানা কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তা খানিকটা প্রশমিত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক মন্থরতার চাপ থেকেও মনোযোগ সরিয়ে দিতে পেরেছেন জিনপিং।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতা যে তারা ভারতকে পুরোপুরি রাশিয়া-চীন বিরোধী শিবিরে টানতে পারেনি। এক কৌশলগত পরামর্শক সংস্থার পরিচালক ইভেন পে বলেন, এসসিওর এই প্রদর্শিত ঐক্যের অন্যতম চালিকাশক্তি আসলে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি।

কুচকাওয়াজের আগে শি জিনপিং অংশ নেন সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার বৈঠকও হয়। এর আগে তিনি তিব্বত সফর করেছিলেন। আর এটি ছিল বিরল ঘটনা।

তবে শি জিনপিংয়ের সামনে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আর তা হচ্ছে- বিরাট জোটের ভেতর দ্বন্দ্ব সামলানো এবং ২০২৭ সালে সম্ভাব্য চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় থেকে নিজের অবস্থান আরও দৃঢ় করা।

চীনের দীর্ঘদিনের নীতি, সীমান্ত বিরোধ বা ভর্তুকি দিয়ে সস্তা পণ্য রপ্তানি— এসব বিষয় বিশ্বমঞ্চে দ্বন্দ্ব বাড়িয়েই চলবে। আর ভারতের সঙ্গে তার টানাপোড়েন এক বৈঠকেই মিটে যাবে না।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে কেন ‘আস্থা’ পুনর্গঠন করতে বলছে সৌদি
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে কেন ‘আস্থা’ পুনর্গঠন করতে বলছে সৌদি
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: শেষ সময়ে যা করলেন শেহবাজ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: শেষ সময়ে যা করলেন শেহবাজ
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে এগোবে না সমঝোতা
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে এগোবে না সমঝোতা