{# Both bootstrap.min.css (190KB) and style.css (129KB) async-loaded via preload + onload swap. Inline critical CSS above covers above-the-fold. #} {# Third-party scripts: GA / ShareThis / Cloudflare on idle. AdSense is special — show_ads_impl_fy2021.js was eating 2.1s CPU, so it loads ONLY when an ad slot is near the viewport. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

লায়ন ফারুক

ফেলানি হত্যার জন্য তৎকালীন আওয়ামী পররাষ্ট্রনীতি দায়ী

   ৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:১০ পি.এম.
বক্তব্য রাখছেন লায়ন মোঃ ফারুক রহমান। ছবি: ভিওডি বাংলা

কিশোরী ফেলানি হত্যার জন্য তৎকালীন আওয়ামী লীগের নতজানু পররাষ্ট্রনীতিকে দায়ী করেছেন ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের নেতা লায়ন মোঃ ফারুক রহমান। 

তিনি বলেন, “ভারত সীমান্তে পাখির মতো মানুষ হত্যা করছে, আর এই আগ্রাসনের পথ প্রশস্ত করেছে তৎকালীন সরকার।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) ‘ফেলানি হত্যা দিবস’ উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ন্যাশনাল লেবার পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে ভারতীয় আধিপত্য ও আগ্রাসন বিরোধী প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

লায়ন মোঃ ফারুক রহমান বলেন, “ভারত শুধু সীমান্তেই নয়, নদী, পানি, সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমের মাধ্যমেও আগ্রাসন চালাচ্ছে। আমাদের নদীগুলো শোষণ করে দেশীয় মাছ ধ্বংস করা হয়েছে। ফেনী নদীর দিকে ভারতের শকুনির দৃষ্টি যখন আমাদের পানির প্রয়োজন, তখন পানি নেই; আর যখন দরকার নেই, তখন পানি ছেড়ে দিয়ে ফসল ধ্বংস করা হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, “এই আগ্রাসন বাস্তবায়নের জন্য ভারত তৎকালীন স্বৈরাচারী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল।” তিনি ফেলানি হত্যার বিচার দাবি করে বলেন, “আমরা আর সীমান্তে পাখির মতো মানুষ হত্যা দেখতে চাই না।

দলের মুখপাত্র মোঃ শরিফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা নুর আফরোজ জ্যোতি, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব প্রফেসর মাওলানা আব্দুল করিম, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের (পিএনপি) চেয়ারম্যান ফিরোজ মুহাম্মদ লিটনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, সীমান্তে কিশোরী ফেলানি হত্যার ১৫ বছর পার হলেও আজও বিচার না হওয়া মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের প্রমাণ।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ’র গুলিতে নিহত হন কিশোরী ফেলানি। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা তার মরদেহ কাঁটাতারে ঝুলে ছিল। ঘটনাটি বিশ্বব্যাপী তীব্র নিন্দার জন্ম দেয়।

পরবর্তীতে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে দুই দফা বিচারে খালাস দেওয়া হয়। রায় প্রত্যাখ্যান করে ফেলানির পরিবার ভারতীয় মানবাধিকার সংগঠন ‘মাসুম’-এর সহায়তায় সুপ্রিম কোর্টে রিট করলেও ১৫ বছরেও বিচার নিশ্চিত হয়নি।

ভিওডি বাংলা/ সবুজ/ আরিফ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে আপস নয়: আসিফ মাহমুদ
রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে আপস নয়: আসিফ মাহমুদ
গুপ্ত কর্মীদের ইন্ধনে ইডেনে মব সৃষ্টি করা হয়েছে: নাছির
গুপ্ত কর্মীদের ইন্ধনে ইডেনে মব সৃষ্টি করা হয়েছে: নাছির
ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠনই বড় চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল
ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠনই বড় চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল