• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

আরব দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইরানি হামলার শিকার আমিরাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ১৮ মার্চ ২০২৬, ০২:১৯ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে প্রতিদিনই নতুন উত্তেজনা যোগ করছে ইরানের ধারাবাহিক হামলা। যুদ্ধ শুরুর পর গত ১৭ দিন ধরে অঞ্চলটির বিভিন্ন দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে যাচ্ছে তেহরান, যার সবচেয়ে বড় লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রের তথ্য উল্লেখ করে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশকে লক্ষ্য করে ইরান ৩ হাজারের বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি হামলা চালানো হয়েছে আমিরাতের দিকে।

আমিরাতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দুটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে— রাজধানী আবুধাবির দক্ষিণে আল-দাফরা বিমানঘাঁটি এবং দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দর। মূলত এই দুটি স্থাপনাকে লক্ষ্য করেই অধিকাংশ হামলা হয়েছে। তবে এর বাইরে দেশটির বিমানবন্দর, তেলক্ষেত্রসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনাতেও আঘাত হেনেছে ইরান।

এ পর্যন্ত ইরানের এসব হামলায় আমিরাতে ৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২ জন দেশটির সামরিক বাহিনীর সদস্য এবং বাকি ৬ জন বেসামরিক নাগরিক।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ২১ দিন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চলে। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো সমঝোতা ছাড়াই সেই সংলাপ শেষ হয়।

এর পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক সামরিক অভিযান শুরু করে।

এই হামলাগুলোতে ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। পাশাপাশি ইরানের বহু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটিতে নিহতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ২ হাজার ছাড়িয়েছে।

তবে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানও থেমে নেই। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশ— সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান।

সূত্র: আলজাজিরা

ভিওডি বাংলা/এমএস

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: শেষ সময়ে যা করলেন শেহবাজ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: শেষ সময়ে যা করলেন শেহবাজ
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে এগোবে না সমঝোতা
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে এগোবে না সমঝোতা
বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম