নকল হচ্ছে অকটেন

জ্বালানি তেলের সংকট পুঁজি করে পেট্রোলে রঙ মিশিয়ে অকটেন বলে চালিয়ে দিচ্ছে একাধিক চক্র। এভাবে অকটেন নকল করে অর্থ হাতাচ্ছে- কারণ পেট্রোলের তুলনায় অকটেনের দাম লিটারে ৪টাকা বেশি। এছাড়া পেট্রোলে সিদুর মিশানোর খবরও পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) মৌলভীবাজারের জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলায় পৃথক অভিযানে মোট ২ হাজার ১২৫ লিটার তেল পাওয়া যায়, যেগুলো নকল অকটেন। পেট্রলের রঙ পরিবর্তন করে এগুলো তৈরি করা হয়েছে।
বুধবার মধ্যরাতে জুড়ী উপজেলার সমাই বাজারের মেসার্স ইউনিক ট্রেডার্স প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত ও সহকারী কমিশনার ভূমি সাবরিনা আক্তার।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রথমে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তেল মজুতের বিষয়টি অস্বীকার করলেও তল্লাশিতে ৬০০ লিটার ডিজেল, ৭৫০ লিটার পেট্রল উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে পেট্রলের রঙ পরিবর্তনের কাজে ব্যবহৃত উপকরণও জব্দ করা হয়।
অবৈধ মজুত ও জালিয়াতির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের মালিক ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জুড়ী থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
অন্যদিকে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর বাজারের নাফিজ ভ্যারাইটিজ স্টোরে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে দোকানটি থেকে ৭২৫ লিটার অবৈধ মজুত ডিজেল জব্দ করা হয়।
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী দোকান মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জব্দ তেল বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী বলেন, অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জুড়ীর ইউএনও ভারপ্রাপ্ত সাবরিনা আক্তার জানান, কৃত্রিম সংকট তৈরি ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ভিওডি বাংলা/আরআর







