এনসিপিতে কেন যাচ্ছেন না রুমিন ফারহানা

বিএনপিকে থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হওয়া সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে নিয়ে সম্প্রতি আলোচনা ওঠে যে- তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন। দলটির নেতাদের উদ্ধৃত্তি দিয়ে একাধিক গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করে- জৃুলাই যোদ্ধাদের এক ছাতার নিচে আনতে শীর্ষ নেতারা একাধিক বৈঠক করেছেন। যেসব বৈঠকের একটি অংশে রুমিন ফারহানার যোগ দিচ্ছেন বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়।
এ ঘটনা বেশ কয়েকদিন আগের। তবে সে সময় এ বিষয়ে মুখ না খুললেও শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) জার্মানভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলের (বাংলা) টক শো’তে অংশ নিয়ে প্রসঙ্গটি আলোচনায় আনেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এই এমপি।
তিনি বলেন, এনসিপি তাকে প্রস্তাব দিয়েছিলো। তিনি হেসেছেন। জুলাই অভ্যুত্থান থেকে এনসিপির সঙ্গে রুমিন ফারহানার এক ধরনের যোগাযোগ রয়েছে। আন্তরিকতা রয়েছে। তবে তিনি কেন এনসিপিতে যোগ দিবেন না এবং বিএনপি ছাড়ার পর তাকে অন্য রাজনৈতিক দলও প্রস্তাব দিয়েছিল, দলে নিতে চেয়েছিল- কিন্তু তিনি কোনো দলে যাচ্ছেন না এবং সবাইকে বা সব প্রস্তাব কেন ফিরিয়ে দিচ্ছেন- সে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন এই টকশোতে।
বিষয়টি ‘গুঞ্জন’ উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, এটা একেবারেই গুঞ্জন, একেবারেই গুজব। এটার সঙ্গে ন্যূনতম কোনো সত্যতা নেই।
তিনি জানান, এনসিপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে যে আলোচনা বা প্রচার হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। তার বক্তব্য, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে। এনসিপির পক্ষ থেকেও তাকে দলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপি ছেড়ে দেওয়া বা বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়ে যাওয়ার পরে অবশ্যই অন্য অনেক দল এপ্রোচ করবে। সেই ধারাবাহিকতায় এনসিপিও কিছুটা করেছে। ওরা বারবারই বলেছে আপা চলে আসেন আমাদের সাথে। আপনি জুলাই মাঠে ছিলেন। আপনার বাসা ভাঙচুর হয়েছে। আপনি একজন ফ্রন্টলাইনার। আমি তাদের এপ্রোচে হেসেছি। এটা নিয়ে কথা বাড়াইনি।
এনসিপিতে যোগ দিলে সংসদে কথা বলার আরও স্পেস তৈরি হবে কিনা- এম প্রশ্নের জবাবে
তিনি বলেন, আমার নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ, চিন্তাভাবনা ও পরিকল্পনা বিসর্জন দিয়ে কেবল সংসদে দুই মিনিট কথা বলার সুযোগ পাওয়ার জন্য কোনো দলে যোগ দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
রুমিন ফারহানা বলেন, শুধু কথা বলার সুযোগের জন্য আমি কোনো জোটে যোগ দেব না। কথা বলার জন্য অসংখ্য প্ল্যাটফর্ম আছে’ সেখানে আমি কথা বলতে পারি।







